উত্তেজনাময় পরিস্থিতি প্রশমনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে চীন মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ দূত পাঠাবে। ৫ মার্চ, (বৃহস্পতিবার) বেইজিংয়ে আয়োজিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এ তথ্য জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালানোর কারণে আঞ্চলিক পরিস্থিতির চরম অবনতি হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে মুখপাত্র বলেন, চীন বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির ওপর নিবিড় দৃষ্টি রাখছে। সম্প্রতি চীন ঘন ঘন মধ্যস্থতার কাজ শুরু করেছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইতোমধ্যে রাশিয়া, ইরান, ওমান, ফ্রান্স, ইসরায়েল, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে মতবিনিময় করেছেন। 

ওয়াং ই জোর দিয়ে বলেছেন, জাতিসংঘ সনদ ও এর রীতিনীতি মেনে চলতে হবে; চীন আন্তর্জাতিক সম্পর্কে বলপ্রয়োগের তীব্র বিরোধিতা করে। অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সংলাপ ও আলোচনায় ফিরে আসতে হবে। চীন সংঘাতে জড়িত বিভিন্ন পক্ষকে কার্যকরভাবে আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পালন করার, নিরীহ মানুষদের রক্ষা করার এবং বেসামরিক স্থাপনার ওপর হামলা না করার আহ্বান জানায়।

মুখপাত্র আরও বলেন, চীন মনে করে, যুদ্ধ ও বলপ্রয়োগ কখনোই মূল সমস্যার সমাধান করতে পারে না। সংলাপ ও আলোচনাই হলো সঠিক পথ। চীন অব্যাহতভাবে সংঘাতে জড়িত বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখবে এবং মধ্যস্থতা জোরদার করবে। মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক চীনের বিশেষ দূত চাই চুন শীঘ্রই মধ্যপ্রাচ্য সফর করবেন বলেও জানান মুখপাত্র।

সূত্র: সিএমজি।