NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা করতে বৃটিশ প্রতিমন্ত্রী অ্যান-মারি ট্রিভেলিয়ান


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৪৫ এএম

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা করতে বৃটিশ প্রতিমন্ত্রী  অ্যান-মারি ট্রিভেলিয়ান

 নিরাপত্তা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বাণিজ্য ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করতে শুক্রবার ঢাকায় এসেছেন ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক বৃটিশ প্রতিমন্ত্রী অ্যান-মারি ট্রিভেলিয়ান। হাইকমিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, যেহেতু বাংলাদেশ তার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখছে, সফরের লক্ষ্য হল সাফল্য উদযাপন করা এবং আগামী বছরের জন্য বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনসহ দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা। বিজ্ঞপ্তি মতে, মিজ ট্রিভেলিয়ান সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। পাশাপাশি সুশীল সমাজ, মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধি, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ এবং ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

বৃটিশ মন্ত্রী বৃটিশ-বাংলাদেশ জলবায়ু চুক্তিতেও স্বাক্ষর করবেন, যার লক্ষ্য জলবায়ু কর্মকাণ্ডে দ্বিপাক্ষিক এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানো, যাতে কপ-২৬ এবং কপ-২৭ এর সুফল নিশ্চিত হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃটিশ মন্ত্রী ট্রিভেলিয়ানকে উদ্বৃত করে বলা হয়, তিনি  বলেছেন, "আমি বাংলাদেশ সফর করতে পেরে আনন্দিত। বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যার সঙ্গে বৃটেনের শক্তিশালী সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।" মন্ত্রী বলেন, বৃটেন ৫১ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ অংশীদার হিসেবে পাশে থাকতে পেরে গর্বিত। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা, জলবায়ু কর্মকাণ্ড এবং মানবিক সহযোগিতা দুই দেশের সম্পর্কের যৌথ নীতিতে নিহিত রয়েছে। বৃটিশ মন্ত্রী বলেন, আমার সফরের মাধ্যমে, আমি আমাদের ঘনিষ্ঠ এবং মূল্যবান অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার অপেক্ষায় রয়েছি।     এ বিষয়ে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন বলেন, এই সফর বাংলাদেশের প্রতি বৃটেনের প্রতিশ্রুতি এবং দুই দেশের অংশীদারিত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা পুনর্ব্যক্ত করে। তিনি বলেন, আমরা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জলবায়ু, নিরাপত্তা, শিক্ষা ও নারী ও মেয়েদের জন্য সমতা এবং রোহিঙ্গা সঙ্কটসহ বিভিন্ন বিষয়ে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করব। মন্ত্রী ট্রেভেলিয়ান ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য বৃটেনের মানবিক সহায়তা কিভাবে ব্যবহার হচ্ছে তা সরজমিনে দেখতে কক্সবাজার যাবেন।