NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ে নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীন সুষ্ঠু ভাবমর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে


আকাশ, বেইজিং প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৪১ এএম

প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ে নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীন সুষ্ঠু ভাবমর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে

 


পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি সম্প্রতি চায়না মিডিয়া গ্রুপ- সিএমজিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে- সি চিন পিংকে পুনরায় চীনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হাওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগ ও ‘চীন-পাক বন্ধুত্বের’ প্রতি উচ্চ প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি, তিনি মনে করেন, বর্তমান বিশ্বে প্রচুর পরিবর্তন হচ্ছে, সবার উচিত আন্তর্জাতিক চিন্তা ধারণ করা।

তিনি সি চিন পিংকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই নির্বাচন দেশ প্রশাসনের খাতে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বড় অর্জন এবং সিপিসি’র প্রতি জনগণের বিরাট সমর্থন ও স্বীকৃতির প্রমাণ। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ে নেতৃত্বে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীন সুষ্ঠু ভাবমর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে এবং মানবজাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে। দেশ প্রশাসন-বিষয়ক প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের চিন্তাধারা ও কর্মকাণ্ড শুধু চীনের পরিবর্তনই নয়, বিশ্বের জন্যেও ইতিবাচক অবদান রেখেছে। বিশ্বশান্তি বিবেচনায় প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ফের নির্বাচিত হওয়া চীন, এতদাঞ্চল ও বিশ্বের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ২০১৩ সালে প্রথম মানবজাতির অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটির ধারণা উত্থাপন করেছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি, চীন একটি অসাধারণ পদ্ধতিতে বিশ্বের উন্নয়ন এগিয়ে নিচ্ছে। এ ছাড়া, দারিদ্র্যবিমোচন খাতেও চীনের সফলতা পাকিস্তানসহ নানা দেশের জন্য মডেল সৃষ্টি করেছে। সবাই এখন চীন থেকে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। এ ছাড়া চীন শিক্ষা ও গণস্বাস্থ্য খাতে অনেক গুরুত্ব দেয়। পাকিস্তানও এচেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি চীন বিশ্বশান্তির জন্য অনেক চেষ্টা করেছে। পাশাপাশি, প্রেসিডেন্ট সি’র উত্থাপিত মানবজাতির অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটির ধারণা তাৎপর্যপূর্ণ। এ ধারণা মানবসভ্যতার শান্তির জন্য বড় অবদান। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং উত্থাপন করেছে ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগ, চীন-পাক অর্থনৈতিক করিডোর- যা মানবজাতির অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটি বাস্তবায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা। 

এ বছর ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগ উত্থাপন ও চীন-পাক অর্থনৈতিক করিডোরের দশম বছর। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি, পাক জনগণ ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগের সুফল নিয়ে সন্তুষ্ট। পাকিস্তান চীনের অত্যন্ত বিশ্বস্ত অংশীদার। দু’দেশের মধ্যে ‘লোহার মতো’ ভ্রাতৃত্ব রয়েছে। যা পাহাড়ের চেয়েও উঁচু, সাগরের চেয়েও গভীর। দু’দেশের জনগণের বন্ধুত্ব বিশ্বে বিরল। তিনি মনে করেন, চীন-পাক অর্থনৈতিক করিডোর আঞ্চলিক শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগের ১০ বছরে দু’দেশের উচিৎ হাতে হাত রেখে চীন-পাক অর্থনৈতিক করিডোর এগিয়ে নেওয়া। 
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ