NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন "Bangladesh Must Face Huge Challenges Ahead: The Country's Politics Has Not Been Set Right, It Is Controlled by Others" মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশন, ৯৮ লাখের বেশি স্বাক্ষর ফ্রান্সকে উড়িয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন কিংবদন্তী নজরুলসংগীত শিল্পী শবনম মুশতারী বার্ধক্যজনিত শারীরিক নানান জটিলতার সঙ্গে ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন ৯ আগস্ট নিউইয়র্কে সাউথ এশিয়ান  ইউনিটি প্যারেড Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ আমেরিকা প্রবাসী বিশিষ্ট সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরণের জন্মদিন পালিত বগুড়ায় নিউইয়র্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, সম্মাননা পেলেন দুই কৃতি অ্যালামনাই
Logo
logo

প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ে নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীন সুষ্ঠু ভাবমর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে


আকাশ, বেইজিং প্রকাশিত:  ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৪ এএম

প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ে নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীন সুষ্ঠু ভাবমর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে

 


পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি সম্প্রতি চায়না মিডিয়া গ্রুপ- সিএমজিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে- সি চিন পিংকে পুনরায় চীনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হাওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগ ও ‘চীন-পাক বন্ধুত্বের’ প্রতি উচ্চ প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি, তিনি মনে করেন, বর্তমান বিশ্বে প্রচুর পরিবর্তন হচ্ছে, সবার উচিত আন্তর্জাতিক চিন্তা ধারণ করা।

তিনি সি চিন পিংকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই নির্বাচন দেশ প্রশাসনের খাতে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বড় অর্জন এবং সিপিসি’র প্রতি জনগণের বিরাট সমর্থন ও স্বীকৃতির প্রমাণ। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ে নেতৃত্বে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীন সুষ্ঠু ভাবমর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে এবং মানবজাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে। দেশ প্রশাসন-বিষয়ক প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের চিন্তাধারা ও কর্মকাণ্ড শুধু চীনের পরিবর্তনই নয়, বিশ্বের জন্যেও ইতিবাচক অবদান রেখেছে। বিশ্বশান্তি বিবেচনায় প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ফের নির্বাচিত হওয়া চীন, এতদাঞ্চল ও বিশ্বের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ২০১৩ সালে প্রথম মানবজাতির অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটির ধারণা উত্থাপন করেছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি, চীন একটি অসাধারণ পদ্ধতিতে বিশ্বের উন্নয়ন এগিয়ে নিচ্ছে। এ ছাড়া, দারিদ্র্যবিমোচন খাতেও চীনের সফলতা পাকিস্তানসহ নানা দেশের জন্য মডেল সৃষ্টি করেছে। সবাই এখন চীন থেকে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। এ ছাড়া চীন শিক্ষা ও গণস্বাস্থ্য খাতে অনেক গুরুত্ব দেয়। পাকিস্তানও এচেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি চীন বিশ্বশান্তির জন্য অনেক চেষ্টা করেছে। পাশাপাশি, প্রেসিডেন্ট সি’র উত্থাপিত মানবজাতির অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটির ধারণা তাৎপর্যপূর্ণ। এ ধারণা মানবসভ্যতার শান্তির জন্য বড় অবদান। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং উত্থাপন করেছে ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগ, চীন-পাক অর্থনৈতিক করিডোর- যা মানবজাতির অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটি বাস্তবায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা। 

এ বছর ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগ উত্থাপন ও চীন-পাক অর্থনৈতিক করিডোরের দশম বছর। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি, পাক জনগণ ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগের সুফল নিয়ে সন্তুষ্ট। পাকিস্তান চীনের অত্যন্ত বিশ্বস্ত অংশীদার। দু’দেশের মধ্যে ‘লোহার মতো’ ভ্রাতৃত্ব রয়েছে। যা পাহাড়ের চেয়েও উঁচু, সাগরের চেয়েও গভীর। দু’দেশের জনগণের বন্ধুত্ব বিশ্বে বিরল। তিনি মনে করেন, চীন-পাক অর্থনৈতিক করিডোর আঞ্চলিক শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগের ১০ বছরে দু’দেশের উচিৎ হাতে হাত রেখে চীন-পাক অর্থনৈতিক করিডোর এগিয়ে নেওয়া। 
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ