NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত Bangladesh Permanent Mission to the UN observed the ‘International Mother Language Day’ সাখাওয়াত মুখ খুললেন , ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী The Politics of a “Golden Age”: Trump’s Address and America’s Deepening Divide - Akbar Haider Kiron
Logo
logo

‘একজন মানুষও পাইনি যে আমাকে বলেছে, কাজটা ঠিক করিনি’-- সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস


খবর   প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ০৪:৩৩ পিএম

‘একজন মানুষও পাইনি যে আমাকে বলেছে, কাজটা ঠিক করিনি’-- সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস

সবদিক মিলিয়ে আমার একটা নিউজের পর যে ঘটনাগুলো ঘটেছে প্রথমদিকে আমি ডি-মোটিভেটেড ছিলাম।  কারণ এটার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না, এ ধরনের সিচুয়েশন হতে পারে নিউজের কারণে। আমি জানি আসলে নিউজটা কী ছিল। পরে হয়তো কোনো একটা কারণে কিছুটা দ্বিধা দন্দে পড়ে যায় মানুষ।  ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সদ্য জামিনে মুক্ত প্রথম আলো’র সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস মানবজমিনকে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সিআইডি আমাকে যখন নিয়ে যায় তখন আমি কিছুটা চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু পরে তাদের আচার-আচরণ, বিহেভিয়ার, তারা আমার সঙ্গে যেভাবে কথা বলেছেন সেটি দেখে জিজ্ঞাসাবাদ যেরকম হয় সেটি মনে হয়নি। মনে হয়েছে আমি এসেছি, তাদের সঙ্গে জাস্ট একটা আলাপচারিতা হচ্ছে।  তাদের খুবই ওয়েল বিহেভ ছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তারা আমাকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের সামনে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। যদিও তাদের গায়ে পুলিশের পোশাক ছিল না। 

 তবে তারা আমাকে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে গিয়েছিল, তাই মনে হয়েছে তারা পুলিশের হতে পারে। ধানমন্ডি থানায় আমাকে রাখা হয়। পরেরদিন আদালতে হাজির করা হয়। ওখান থেকে কেরানীগঞ্জ। সেখান থেকে আবার গাজীপুরের কারাগারে নেয়া হয়। সব মিলিয়ে সবকিছু আমার কাছে একটা জার্নির মত ছিল। কিন্তু আমি সিআইডি অফিস থেকে শুরু করে জেলখানা যে কয়টি জায়গায় গিয়েছি সবজায়গায় সবারই খুব পজেটিভ অ্যাপ্রোচ পেয়েছি। সবাই আমার সঙ্গে ওয়েল বিহেভ এবং পজেটিভভাবে কথা বলেছেন।  ওভারঅল আসলে ওভাবে আমার জানার সুযোগ ছিল না, তবে জেলখানার সবাই আমার চেহারা দেখে বলে- ভাই আপনি অমুক না? একজন মানুষও পাইনি যে আমাকে বলেছে, কাজটা ঠিক করিনি। সবাই আমাকে বলেছে, ভাই আপনি সত্য কথা লিখছেন।  আপনিতো ভালো কথা লিখছেন। আমরাতো বলতে পারি না।      শামস বলেন, পরে মিডিয়ার মাধ্যমে জানলাম, দেশের সকল সাংবাদিক সমাজ আমার পাশে দাঁড়িয়েছে।  আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সহকর্মীরা ছিল। বিশেষ করে প্রথম আলো, আমার পরিবার। আমি যে জায়গায়ই গেছি প্রথমে দেখেছি, প্রথম আলো থেকে আগেই কথা বলেছে। আমাকে কিভাবে আসলে ভালো রাখা যায়। তিনি বলেন, আমি দেশবাসী, সাংবাদিকসহ যারাই আমার পাশে ছিলেন তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।