NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

‘একজন মানুষও পাইনি যে আমাকে বলেছে, কাজটা ঠিক করিনি’-- সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ জুন, ২০২৬, ০৪:৫৯ এএম

‘একজন মানুষও পাইনি যে আমাকে বলেছে, কাজটা ঠিক করিনি’-- সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস

সবদিক মিলিয়ে আমার একটা নিউজের পর যে ঘটনাগুলো ঘটেছে প্রথমদিকে আমি ডি-মোটিভেটেড ছিলাম।  কারণ এটার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না, এ ধরনের সিচুয়েশন হতে পারে নিউজের কারণে। আমি জানি আসলে নিউজটা কী ছিল। পরে হয়তো কোনো একটা কারণে কিছুটা দ্বিধা দন্দে পড়ে যায় মানুষ।  ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সদ্য জামিনে মুক্ত প্রথম আলো’র সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস মানবজমিনকে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সিআইডি আমাকে যখন নিয়ে যায় তখন আমি কিছুটা চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু পরে তাদের আচার-আচরণ, বিহেভিয়ার, তারা আমার সঙ্গে যেভাবে কথা বলেছেন সেটি দেখে জিজ্ঞাসাবাদ যেরকম হয় সেটি মনে হয়নি। মনে হয়েছে আমি এসেছি, তাদের সঙ্গে জাস্ট একটা আলাপচারিতা হচ্ছে।  তাদের খুবই ওয়েল বিহেভ ছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তারা আমাকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের সামনে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। যদিও তাদের গায়ে পুলিশের পোশাক ছিল না। 

 তবে তারা আমাকে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে গিয়েছিল, তাই মনে হয়েছে তারা পুলিশের হতে পারে। ধানমন্ডি থানায় আমাকে রাখা হয়। পরেরদিন আদালতে হাজির করা হয়। ওখান থেকে কেরানীগঞ্জ। সেখান থেকে আবার গাজীপুরের কারাগারে নেয়া হয়। সব মিলিয়ে সবকিছু আমার কাছে একটা জার্নির মত ছিল। কিন্তু আমি সিআইডি অফিস থেকে শুরু করে জেলখানা যে কয়টি জায়গায় গিয়েছি সবজায়গায় সবারই খুব পজেটিভ অ্যাপ্রোচ পেয়েছি। সবাই আমার সঙ্গে ওয়েল বিহেভ এবং পজেটিভভাবে কথা বলেছেন।  ওভারঅল আসলে ওভাবে আমার জানার সুযোগ ছিল না, তবে জেলখানার সবাই আমার চেহারা দেখে বলে- ভাই আপনি অমুক না? একজন মানুষও পাইনি যে আমাকে বলেছে, কাজটা ঠিক করিনি। সবাই আমাকে বলেছে, ভাই আপনি সত্য কথা লিখছেন।  আপনিতো ভালো কথা লিখছেন। আমরাতো বলতে পারি না।      শামস বলেন, পরে মিডিয়ার মাধ্যমে জানলাম, দেশের সকল সাংবাদিক সমাজ আমার পাশে দাঁড়িয়েছে।  আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সহকর্মীরা ছিল। বিশেষ করে প্রথম আলো, আমার পরিবার। আমি যে জায়গায়ই গেছি প্রথমে দেখেছি, প্রথম আলো থেকে আগেই কথা বলেছে। আমাকে কিভাবে আসলে ভালো রাখা যায়। তিনি বলেন, আমি দেশবাসী, সাংবাদিকসহ যারাই আমার পাশে ছিলেন তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।