NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন "Bangladesh Must Face Huge Challenges Ahead: The Country's Politics Has Not Been Set Right, It Is Controlled by Others" মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশন, ৯৮ লাখের বেশি স্বাক্ষর ফ্রান্সকে উড়িয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন কিংবদন্তী নজরুলসংগীত শিল্পী শবনম মুশতারী বার্ধক্যজনিত শারীরিক নানান জটিলতার সঙ্গে ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন ৯ আগস্ট নিউইয়র্কে সাউথ এশিয়ান  ইউনিটি প্যারেড Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ আমেরিকা প্রবাসী বিশিষ্ট সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরণের জন্মদিন পালিত বগুড়ায় নিউইয়র্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, সম্মাননা পেলেন দুই কৃতি অ্যালামনাই
Logo
logo

‘একজন মানুষও পাইনি যে আমাকে বলেছে, কাজটা ঠিক করিনি’-- সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ জুলাই, ২০২৬, ০৬:৫২ এএম

‘একজন মানুষও পাইনি যে আমাকে বলেছে, কাজটা ঠিক করিনি’-- সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস

সবদিক মিলিয়ে আমার একটা নিউজের পর যে ঘটনাগুলো ঘটেছে প্রথমদিকে আমি ডি-মোটিভেটেড ছিলাম।  কারণ এটার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না, এ ধরনের সিচুয়েশন হতে পারে নিউজের কারণে। আমি জানি আসলে নিউজটা কী ছিল। পরে হয়তো কোনো একটা কারণে কিছুটা দ্বিধা দন্দে পড়ে যায় মানুষ।  ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সদ্য জামিনে মুক্ত প্রথম আলো’র সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস মানবজমিনকে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সিআইডি আমাকে যখন নিয়ে যায় তখন আমি কিছুটা চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু পরে তাদের আচার-আচরণ, বিহেভিয়ার, তারা আমার সঙ্গে যেভাবে কথা বলেছেন সেটি দেখে জিজ্ঞাসাবাদ যেরকম হয় সেটি মনে হয়নি। মনে হয়েছে আমি এসেছি, তাদের সঙ্গে জাস্ট একটা আলাপচারিতা হচ্ছে।  তাদের খুবই ওয়েল বিহেভ ছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তারা আমাকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের সামনে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। যদিও তাদের গায়ে পুলিশের পোশাক ছিল না। 

 তবে তারা আমাকে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে গিয়েছিল, তাই মনে হয়েছে তারা পুলিশের হতে পারে। ধানমন্ডি থানায় আমাকে রাখা হয়। পরেরদিন আদালতে হাজির করা হয়। ওখান থেকে কেরানীগঞ্জ। সেখান থেকে আবার গাজীপুরের কারাগারে নেয়া হয়। সব মিলিয়ে সবকিছু আমার কাছে একটা জার্নির মত ছিল। কিন্তু আমি সিআইডি অফিস থেকে শুরু করে জেলখানা যে কয়টি জায়গায় গিয়েছি সবজায়গায় সবারই খুব পজেটিভ অ্যাপ্রোচ পেয়েছি। সবাই আমার সঙ্গে ওয়েল বিহেভ এবং পজেটিভভাবে কথা বলেছেন।  ওভারঅল আসলে ওভাবে আমার জানার সুযোগ ছিল না, তবে জেলখানার সবাই আমার চেহারা দেখে বলে- ভাই আপনি অমুক না? একজন মানুষও পাইনি যে আমাকে বলেছে, কাজটা ঠিক করিনি। সবাই আমাকে বলেছে, ভাই আপনি সত্য কথা লিখছেন।  আপনিতো ভালো কথা লিখছেন। আমরাতো বলতে পারি না।      শামস বলেন, পরে মিডিয়ার মাধ্যমে জানলাম, দেশের সকল সাংবাদিক সমাজ আমার পাশে দাঁড়িয়েছে।  আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সহকর্মীরা ছিল। বিশেষ করে প্রথম আলো, আমার পরিবার। আমি যে জায়গায়ই গেছি প্রথমে দেখেছি, প্রথম আলো থেকে আগেই কথা বলেছে। আমাকে কিভাবে আসলে ভালো রাখা যায়। তিনি বলেন, আমি দেশবাসী, সাংবাদিকসহ যারাই আমার পাশে ছিলেন তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।