NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

চীন ও যুক্তরাষ্ট্র দু-দেশ কল্যাণের পাশাপাশি সারা বিশ্বকে পরিবর্তন করেছে


লিলি: প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:৪১ এএম

চীন ও যুক্তরাষ্ট্র দু-দেশ কল্যাণের পাশাপাশি সারা বিশ্বকে পরিবর্তন করেছে

 

 




২০ জুলাই চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বেইজিংয়ে তিয়াও ইয়ু থাই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হ্যানরি আলফ্রেড কিসিঞ্জারের সাক্ষাৎ হয়েছে।

বৈঠককালে প্রেসিডেন্ট সি বলেন, সবেমাত্র কিসিঞ্জারের শত বছরের জন্মদিন পার হয়েছে। তিনি শততম-বার চীন সফর করেছেন। এ দুই শত যোগ করলে এবারের চীন সফর বিশেষ তাৎপর্যময়। ৫২ বছর আগে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ একটি টার্নিং পয়েন্টে হয়েছিল। 

জনাব সি বলেন, চেয়ারম্যান মাও চ্যে তোং, প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাই এবং প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও আপনি চমৎকার কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার সঠিক পথ বাছাই করেছেন এবং চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, যা দু’দেশের কল্যাণের পাশাপাশি সারা বিশ্বকে পরিবর্তন করেছে। চীনা জনগণ বন্ধুত্বকে মূল্য দেয়, আমরা পুরানো বন্ধু এবং চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক উন্নয়নে ও দু’দেশের জনগণের মৈত্রী বৃদ্ধিতে আপনার ঐতিহাসিক অবদান কখনোই ভুলবো না।

কিসিঞ্জার বলেন, চীন সফর করা তাঁর জন্য গর্বের বিষয়। এবারের বৈঠকের স্থান তিয়াও ইয়ু থাই অতিথি ভবনের পাঁচ নম্বর বিল্ডিংয়ে হওয়ায় তিনি খুব কৃতজ্ঞ। কারণ, এখানে তিনি প্রথমবার চীনা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বিশ্বের শান্তি ও মানবজাতির অগ্রগতির সঙ্গে জড়িত বলে তিনি মনে করেন। 
সূত্র:  চায়না মিডিয়া গ্রুপ।