NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত Bangladesh Permanent Mission to the UN observed the ‘International Mother Language Day’ সাখাওয়াত মুখ খুললেন , ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী The Politics of a “Golden Age”: Trump’s Address and America’s Deepening Divide - Akbar Haider Kiron
Logo
logo

কোহলির সেঞ্চুরিতে ভারতের সহজ জয়, হ্যাটট্রিক হার টাইগারদের


খবর   প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ০৯:২৮ পিএম

কোহলির সেঞ্চুরিতে ভারতের সহজ জয়, হ্যাটট্রিক হার টাইগারদের

কোহলির সেঞ্চুরিতে ভারতের সহজ জয়, হ্যাটট্রিক হার টাইগারদের   বিশ্বকাপে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে ভারতের কাছে ৭ উইকেট হেরেছে বাংলাদেশ। এর ফলে প্রথম ম্যাচে জয় পেলেও টানা তিন ম্যাচ হারের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। ভারতের কাছে বড় হারে সেমির স্বপ্ন থেকে আরো দূরে সড়ে গেল বাংলাদেশ।  বৃহস্পতিবার পুুনেতে ভারতের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ২৫৬ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।  জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪১.৩ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০৩ রান করে অপরাজিত থাকেন বিরাট কোহলি। বাংলাদেশের দেয়া ২৫৭ রানের টার্গেট তাড়ায় উড়ন্ত সূচনা করে ভারত।

অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে আউট করে ভারতের ওপেনিং জুটি ভাঙেন পেসার হাসান মাহমুদ। রোহিতের বিদায়ে ১২.৪ ওভারে দলীয় ৮৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় ভারত। ৪০ বলে ৭টি চার আর ২টি ছক্কায় ৪৮ রানে ফেরেন রোহিত।  এরপর ভারতীয় শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তার বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে সীমানার কাছে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন শুভমান গিল। তিনি ৫৫ বলে ৫টি চার আর দুটি ছক্কায় ৫৩ রান করে ফেরেন। গিলের বিদায়ে ১৩২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ভারত।   এরপর ভারতীয় শিবিরে ফের আঘাত হানেন মিরাজ। তার বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন শ্রেয়াস আইয়ার। তিনি ২৫ বলে ১৯ রানে ফেরেন।  এরপর লোকেশ রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে ৭৪ বলে ৮৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে ৫১ বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন বিরাট কোহলি। দলের জয়ে ১০৩ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন কোহলি।  এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম পাঁচ ওভারে ১০ রান তুলেছিল দুই টাইগার ওপেনার তানজিদ হাসান ও লিটন কুমার দাস। যসপ্রীত বুমরাহ ও মোহাম্মদ সিরাজদের শুরুতেই রক্ষণাত্ম ঢঙে মোকাবেলা করে টাইগাররা। পরে অবশ্য তাল বুঝে রানের গতি বাড়াতে থাকেন টাইগার ব্যাটাররা।তাদের ব্যাটে ভর করে ১০ ওভারে ৬৩ রান তোলে বাংলাদেশ।  তবে ৪৩ বলে ৫১ রান তুলে কুলদীপ যাদবের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন টাইগার ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ফলে ৯৩ রানেই ভাঙল টাইগারদের ওপেনিং জুটি।  তিনি ৪৩ বলে ৫টি চার আর ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৫১ রান করে ফেরেন। এরপর ১৭ বলে মাত্র ৮ রানে ফেরেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ১৩ বলে ৩ রানে ফেরেন অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ।  ইনিংসের শুরু থেকে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে যাওয়া ওপেনার লিটন দাস ফেরেন দলীয় ১৩৭ রানে। তিনি ক্যারিয়ারের ৮১তম ওয়ানডেতে ১২তম ফিফটির পর সাজঘরে ফেরেন। লিটন ৮২ বলে ৭টি বাউন্ডারির সাহায্যে দলীয় সর্বোচ্চ ৬৬ রান করেন।  লিটন আউট হওয়ার পর পঞ্চম উইকেটে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ৫৮ বলে ৪২ রানের জুটি গড়েন তরুণ ব্যাটসম্যান তাওহিদ হৃদয়। তাওহিদ ৩৫ বলে মাত্র ১৬ রানে ফেরেন।

দলীয় ২০১ রানে ফেরেন সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তিনি ৪৬ বলে এক চার আর এক ছক্কায় ৩৮ রান করেন। এই রান করার পথেই বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসানের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে এক হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন মুশফিক।  ১৮ বলে ১৪ রান করে সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন স্পিনার নাসুম আহমেদ।  সাত নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাটিং তাণ্ডব চালান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তিনি মাত্র ৩৬ বল খেলে তিনটি চার আর ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৪৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে শেষ ওভারে আউট হন। শেষ দিকে রিয়াদের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ৮ উইকেটে ২৫৬ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।   ভারতের হয়ে দু’টি করে উইকেট নেন রবিন্দ্র জাদেজা, জসপ্রিত বুমরাহ ও মোহাম্মদ সিরাজ। একটি করে উইকেট নেন শার্দুল ঠাকুর ও কুলদীপ যাদব।