NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

প্রেমের টানে আমেরিকান তরুণী পাবনায়


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১৭ এএম

প্রেমের টানে আমেরিকান তরুণী পাবনায়

 প্রেমের টানে আমেরিকান তরুণী পাবনায় স্বামীর সঙ্গে আমেরিকান তরুণী। ভালোবাসার যুবককে বিয়ে করতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাবনার ঈশ্বরদীতে এসেছেন এক তরুণী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঈশ্বরদীর আসাদুজ্জামান রিজুর (২৭) সঙ্গে হারলি এবেগেল আইরিন ডেভিডসনের (২০) পরিচয় হয় বলে জানা গেছে।   রবিবার (২২ অক্টোবর) ঢাকায় বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ঈশ্বরদীতে পৌঁছেছেন নবদম্পতি। এদিকে ‘বিদেশি বধূ’ দেখতে রিজুর বাড়িতে ভিড় করছে এলাকাবাসী।    আসাদুজ্জামান রিজু ঈশ্বরদী পৌর এলাকার পিয়ারাখালী মহল্লার আব্দুল লতিফের ছেলে। নববধূ হারলি এবেগেল আইরিন ডেভিডসন আমেরিকার কেন্টাকি প্রদেশের জর্জটাউন শহরের বাসিন্দা।

  পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২১ অক্টোবর) রাতে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন হারলি এবেগেল আইরিন ডেভিডসন। পরদিন ঢাকায় ইসলামী রীতি অনুযায়ী তাঁদের বিয়ে হয়।  আসাদুজ্জামান রিজু জানান, গত বছরের মাঝামাঝি ফেসবুকে তাঁদের পরিচয় হয়। এরপর তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।   রিজু বলেন, ‘আমরা উভয়ে ভালোবেসে বিয়ে করেছি।  প্রতিদিন বাসায় অনেক লোক আসছে নববধূ দেখতে। আমাদের সঙ্গে সেলফি তুলে তাদের শখ পূরণ করছে। আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।’ হারলি এবেগেল আইরিন ডেভিডসন ভাঙা ভাঙা বাংলায় বলেন, ‘আমি এখানে এসে ভালো আছি, আমার ভালো লাগছে।’