NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে ওয়াং ই-র বৈঠক


শুয়েই ফেই ফেই: প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১৪ এএম

জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে ওয়াং ই-র বৈঠক

 

নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার, চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরহিসের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, বিশ্ব ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতের দিকে মনোনিবেশ করছে এবং জাতিসংঘের ভূমিকা ও পদক্ষেপের দিকেও মনোযোগ দিচ্ছে। এ ইস্যুতে চীন সর্বদা শান্তির পক্ষে, মানব বিবেকের পক্ষে, আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে দৃঢ়ভাবে আছে। নিজের ভূমিকা পালনে জাতিসংঘ ও মহাসচিবকে সমর্থনও করে চীন। 

তিনি বলেন, চলতি মাসে নিরাপত্তা পরিষদের পালাক্রমিক সভাপতি দেশ হিসাবে, চীন বিভিন্ন আরব দেশ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছে এবং ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতকে নিরাপত্তা পরিষদের মূল ও অগ্রাধিকারমূলক ইস্যুতে পরিণত করেছে। চীন আরব ও ইসলামিক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদেরও চীন সফরের আহ্বান জানিয়েছে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিরাপত্তা পরিষদের একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক আহ্বান করার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। 

ওয়াং ই আরও বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের ২৭১২ নম্বর প্রস্তাব হল স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পথে প্রথম পদক্ষেপ এবং রাজনৈতিক উপায়ে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল দ্বন্দ্ব সমাধানের জন্য একটি ভালো সূচনা। এখন মূল বিষয় হল অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং গাজায় পুনরায় সহিংসতা এড়ানো। এ ব্যাপারে চীনের অবস্থান খুবই স্পষ্ট: প্রথমত, যুদ্ধকে পুনরুজ্জীবিত করা উচিত নয়। একটি বৃহত্তর মানবিক বিপর্যয় এড়াতে একটি ব্যাপক যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন এবং আটক ব্যক্তিদের মুক্তি দেওয়া উচিত; দ্বিতীয়ত, গাজায় বিনা বাধায় মানবিক ত্রাণ প্রবেশ করতে দেওয়া উচিত, আরও ক্রসিং পয়েন্ট খোলা উচিত এবং একটি কার্যকর তদারকি ব্যবস্থা স্থাপন করা উচিৎ ; তৃতীয়ত, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব "দুই-রাষ্ট্র সমাধান" প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা পুনরায় চালু করা উচিত। চীন জাতিসংঘকে এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালনে সমর্থন দিয়ে যাবে। 

এ সময় গুতেরহিস ফিলিস্তিন-ইসরায়েল ইস্যুতে রাজনৈতিক মীমাংসার প্রচারে এবং নিরাপত্তা পরিষদের পালাক্রমিক সভাপতি দেশ হিসেবে মানবিক পরিস্থিতি সহজ করার জন্য চীনের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি ফিলিস্তিন-ইসরায়েল ইস্যুতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক আয়োজনের জন্য চীনকে ধন্যবাদ জানান।
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।