NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

চীন-সার্বিয়া সম্পর্কের নতুন ঐতিহাসিক অধ্যায়


তুহিনা: প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:৪৪ এএম

চীন-সার্বিয়া সম্পর্কের নতুন ঐতিহাসিক অধ্যায়

 


৮ই মে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুচিচ  বেলগ্রেডের সার্বিয়ান ভবনে বৈঠক করেছেন। তাঁরা চীন-সার্বিয়া সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক গভীর ও উন্নত করা এবং নতুন যুগে চীন-সার্বিয়া অভিন্ন কল্যাণের সমাজ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করেছেন।
বেলগ্রেডের সার্বিয়ান ভবনের সামনে ভুচিচ সি চিন পিংয়ের জন্য জমকালো স্বাগত অনুষ্ঠান আয়োজন করেন। স্বাগত অনুষ্ঠানের পর তাঁরা ছোট মাপের সভা ও বড় মাপের বৈঠক করেছেন।

বৈঠকে সি চিন পিং বলেন, ৮ বছর পর তিনি সার্বিয়া সফর করছেন। প্রেসিডেন্ট ভুচিচ ও সার্বিয়ান সরকারের আতিথেয়তা ও সুন্দর ব্যবস্থার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি।
সি চিন পিং বলেন, প্রেসিডেন্ট ভুচিচ কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি ও ঐতিহাসিক দায়িত্ববোধের অসামান্য রাজনীতিবিদ। তার নেতৃত্বে সার্বিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে, অর্থনীতি দ্রুত  উন্নত হচ্ছে, গণজীবিকা উন্নত হচ্ছে এবং সামগ্রিক জাতীয় শক্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নীত হয়েছে। সার্বিয়ার প্রকৃত বন্ধু ও ভালো অংশীদার হিসেবে তিনি খুব খুশি।

সি চিন পিং বলেন, চীন ও সার্বিয়ার লৌহকঠিন বন্ধুত্ব আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, এ সম্পর্কের গভীর ঐতিহ্য, দৃঢ় রাজনৈতিক ভিত্তি, ব্যাপক স্বার্থ ও শক্ত জনভিত্তি রয়েছে।  সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি প্রেসিডেন্ট ভুচিচের সঙ্গে চীন-সার্বিয়া সম্পর্কের কৌশলগত ও সামগ্রিক বিষয়ে অনেকবার যোগাযোগ করেছেন, দু’দেশের সম্পর্কের দ্রুত উন্নয়ন ও ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। 

২০১৬ সালে চীন-সার্বিয়ার সার্বিক কৌশলগত অংশীদারি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সমৃদ্ধ হয়েছে, ক্ষেত্র প্রসারিত হয়েছে এবং চীন-সার্বিয়া সম্পর্ক চীন ও ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।  এবারের সফরে সি চিন পিং ও ভুচিচ ‘চীন-সার্বিয়া সার্বিক কৌশলগত অংশীদারি সম্পর্ক গভীর ও উন্নত করবেন, নতুন যুগে চীন-সার্বিয়া অভিন্ন কল্যাণের সমাজ প্রতিষ্ঠার যৌথ বিবৃতি’ স্বাক্ষর করবেন এবং চীন-সার্বিয়া সম্পর্কের নতুন ঐতিহাসিক অধ্যায় রচনা করবেন।

এই নতুন ঐতিহাসিক সূচনায় দাড়িয়ে চীন সার্বিয়ার সঙ্গে লৌহকঠিন  বন্ধুত্ব বজায় রাখা, দু’দেশের মৌলিক স্বার্থ ও দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ রক্ষা করতে চায়। যৌথভাবে চীন-সার্বিয়ার অভিন্ন কল্যাণের সমাজ প্রতিষ্ঠা জোরদার করা হবে এবং মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠন করা হবে।
সূত্র: তুহিনা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।