NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

চীন- জাপান ও দ: কোরিয়া যৌথভাবে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এগিয়ে নিবে


স্বর্ণা: প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:২৪ এএম

চীন- জাপান ও দ: কোরিয়া  যৌথভাবে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এগিয়ে নিবে

 


চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং স্থানীয় সময় ২৭ মে দুপুরে, সিউলে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সিওক-ইউ এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সঙ্গে অষ্টম চীন-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া শিল্প ও বাণিজ্য শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন এবং ভাষণ দেন।

লি ছিয়াং বলেছেন যে, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে কূটনীতিকে সংক্ষিপ্তভাবে ‘সৌহার্দ্য, আন্তরিকতা, উপকারিতা এবং সহনশীলতা’ এই চারটি শব্দে বর্ণনা করেছেন। চীন, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত, অর্থনৈতিকভাবে একত্রিত এবং সাংস্কৃতিকভাবে সংযুক্ত। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে এবং ভবিষ্যতের মুখোমুখি হতে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদান-প্রদান ও সহযোগিতাকে আরও গভীর করতে, জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সখ্যতা ও সংযুক্তি ত্বরান্বিত করতে এই অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি বাস্তবায়নে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সাথে চীন একসাথে কাজ করতে ইচ্ছুক বলে জানান তিনি। 


লি ছিয়াং বলেন, উদ্যোক্তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্য বিনিময় ও সহযোগিতার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আশা করা যায় যে, সবাই অর্থনৈতিক বিশ্বায়নের সাধারণ প্রবণতাকে উপলব্ধি করবে, শিল্প সহযোগিতাকে আরও গভীর করবে, ক্রমাগত আন্তঃসংযোগ ও কার্যকরিতাকে উন্নীত করবে এবং শিল্প ও সরবরাহ চেইনের স্থিতিশীলতার রক্ষক হবে। তিনপক্ষের উচিত বিশ্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিপ্লব ও শিল্প রূপান্তরের সাধারণ প্রবণতা উপলব্ধি করা, যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সহযোগিতামূলক গবেষণাকে শক্তিশালী করা, যৌথভাবে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এগিয়ে নেয়া, শিল্প প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং উদ্ভাবন সহযোগিতাকে আরও গভীর করার প্রবর্তক হওয়া। 

চীনা প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মানব সভ্যতার একীকরণ ও বিকাশের সাধারণ প্রবণতাকে উপলব্ধি করতে হবে, সেতুবন্ধ হিসেবে ভূমিকা পালন করতে হবে, সক্রিয়ভাবে জনগণের মধ্যে আদান-প্রদানকে সমর্থন করতে হবে এবং মানুষে-মানুষে ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সম্প্রসারণের প্রবর্তক হতে হবে। তিন দেশের প্রায় ২৪০ জন ব্যবসায়ী ও সরকারী প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দেন।
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।