NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ২৪, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
'৩৫ দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ': বাংলাদেশি পাসপোর্টের প্রকৃত চিত্র ও বাস্তবতা : কাজী আসমা আজমেরী আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন "Bangladesh Must Face Huge Challenges Ahead: The Country's Politics Has Not Been Set Right, It Is Controlled by Others" মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশন, ৯৮ লাখের বেশি স্বাক্ষর ফ্রান্সকে উড়িয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন কিংবদন্তী নজরুলসংগীত শিল্পী শবনম মুশতারী বার্ধক্যজনিত শারীরিক নানান জটিলতার সঙ্গে ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন ৯ আগস্ট নিউইয়র্কে সাউথ এশিয়ান  ইউনিটি প্যারেড Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ আমেরিকা প্রবাসী বিশিষ্ট সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরণের জন্মদিন পালিত বগুড়ায়
Logo
logo

‘মানুষের মাঝেই ছদ্মবেশে বাস করছে এলিয়েন’


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ জুলাই, ২০২৬, ০১:২৭ এএম

‘মানুষের মাঝেই ছদ্মবেশে বাস করছে এলিয়েন’

পৃথিবীতে ‘মানুষের ছদ্মবেশে’ বহির্জাগতিক জীবনের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। তাদের দাবি, ‘বহু এলিয়েন পৃথিবীতে গোপনে মানুষের মধ্যে বসবাস করছে।’ বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘হিউম্যান ফ্লোরিশিং প্রোগ্রাম’ এর গবেষকদের একটি নতুন গবেষণাপত্রে এই দাবি করা হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষক দল দীর্ঘদিনের গবেষণায় বেশ কিছু ‘অপরিচিত লোক এবং অস্বাভাবিক ঘটনা’ খেয়াল করেছেন। যেগুলো সাধারণত বহির্জাগতিক প্রাণীর দ্বারাই সম্ভব। তবে এরা চাঁদে বা পৃথিবীতে আমাদের সাথে হাঁটতে পারে। এছাড়াও গবেষকরা বলছেন, কিছু বায়বীয় ঘটনাও এলিয়েনদের উপস্থিতির কথা জানান দিচ্ছে। গবেষণাপত্রে বলা হয়, গবেষকরা বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের প্রমাণ এবং তত্ত্বের গভীরতা সম্পর্কে ক্রমশ সচেতন হয়ে ওঠেন। আর ধীরে ধীরে তারা উপলব্ধি করতে শুরু করেছেন।  গবেষণাটি তথাকথিত ‘ক্রিপ্টোটেরেস্ট্রিয়ালস’ এর ধারণা নিয়ে আরও গবেষণা করছে। তবে তাদের ধারণা, এলিয়েনরা হয়তো মানুষের ছদ্মবেশে আমাদের মধ্যে বসবাস করছে। এরা পৃথিবীর ভবিষ্যৎ থেকে উদ্ভূত হতে পারে। কিংবা বুদ্ধিমান ডাইনোসর থেকেও আসতে পারে।     গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ‘ক্রিপ্টোটেরেস্ট্রিয়াল’ চারটি আকারে আসতে পারে:  হিউম্যান ক্রিপ্টোটেরেস্ট্রিয়ালস: এরা প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত প্রাচীন মানব সভ্যতা।

এরা অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু কিছু অবশিষ্ট আকারে বিদ্যমান আছে।  হোমিনিড বা থেরোপড ক্রিপ্টোটেরেস্ট্রিয়ালস: এরা প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত অ-মানব সভ্যতা, যা কিছু স্থলজ প্রাণীর সমন্বয়ে গঠিত। এরা পৃথিবীতে গোপনে বসবাসের জন্য বিবর্তিত হয়েছিল। এগুলো একটি বানরের মতো হোমিনিড বংশধর বা ‘অজানা বুদ্ধিমান ডাইনোসর’ এর বংশধরও হতে পারে।  সাবেক এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল বা এক্সট্রাটেম্পেস্ট্রিয়াল ক্রিপ্টোটেরেস্ট্রিয়ালস: এই প্রাণীরা মহাজাগতিক বা মানব ভবিষ্যত থেকে পৃথিবীতে এসে পৌঁছতে পারে এবং চাঁদের মতো লুকিয়ে থাকতে পারে।  জাদুকরী ক্রিপ্টোটেরেস্ট্রিয়ালস: এমন সত্তা, যাদের মাঝে স্বদেশী এলিয়েনদের মতো বৈশিষ্ট কম রয়েছে। এই প্রাণীগুলো মানব জগতের সাথে সম্পর্কিত, তবে কম প্রযুক্তিগত। আর এরা বেশ যাদুকর, যেমন ‘পরী’।  গবেষকরা স্বীকার করছেন, তাদের গবেষণা ‘অধিকাংশ বিজ্ঞানীদের দ্বারা সন্দেহজনকভাবে বিবেচিত হতে পারে’ কিন্তু বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়কে ‘জ্ঞান, নম্রতা এবং খোলামেলা মনোভাব নিয়ে’ তাদের দাবি বিবেচনা করার আহ্বান জানান।