NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

চীন হলো কাজাখস্তানের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার দেশ ও রপ্তানির প্রধান গন্তব্য দেশ


ছাই উইয়ে মুক্তা: প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:২৩ এএম

চীন হলো কাজাখস্তানের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার দেশ ও রপ্তানির প্রধান গন্তব্য দেশ

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং মঙ্গলবার কাজাখস্তান সফর উপলক্ষ্যে ‘কাজাখস্তান সত্য পত্রিকার’ ও জাতীয় তথ্য বার্তায় ‘চীন-কাজাখস্তান সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচনার জন্য সহযোগিতা করা’ শীর্ষক প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন।প্রবন্ধটিতে তিনি বলেছেন, চীনা প্রেসিডেন্ট পদে নিযুক্ত হওয়ার পর এটা তাঁর পঞ্চমবার কাজাখস্তান সফর। ৩২ বছর আগে চীন কাজাখস্তানের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দফার একটি দেশ। দু’দেশের সম্পর্ক দ্রুত উন্নত হচ্ছে। দু’দেশের যোগাযোগ ও সহযোগিতার ইতিহাস ও যুগের প্রবণতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

১১ বছর আগে কাজাখস্তানে প্রথমবার ‘রেশমপথ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন সি চিন পিং। সে কথা উল্লেখ করে প্রবন্ধে বলা হয়, ওই প্রস্তাবে কাজাখস্তানের বিভিন্ন মহল ইতিবাচক সাড়া দিয়েছিল। তখন থেকে দু’দেশের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগ নির্মাণের সহযোগিতা শুরু হয়। দু’দেশের সম্পর্কোন্নয়ন নতুন পর্যায়ে উন্নীত হয়।

প্রবন্ধে বলা হয়, দু’দেশ পরস্পরকে সমর্থন করে এবং পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থা নতুন পর্যায়ে উঠেছে। দু’দেশের সম্পর্ক সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব থেকে ‘স্থায়ী সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বে’ উন্নীত হয়েছে। দু’দেশ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের বন্ধুত্ব, উচ্চ পারস্পরিক আস্থা ও চীন-কাজাখস্তান অভিন্ন কল্যাণের সমাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একে-অপরের মূল স্বার্থ ও প্রধান উদ্বেগ-জড়িত ইস্যুতে দু’দেশ দৃঢ়ভাবে পরস্পরকে সমর্থন দেয়। দুর্যোগের সামনে দু’দেশ পরস্পরকে সহায়তা করে।

গত বছর দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক পরিমাণ নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছিল। যার পরিমাণ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। চীন হলো কাজাখস্তানের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার দেশ ও রপ্তানির প্রধান গন্তব্য দেশ। জানাতাস উইন্ড পাওয়ার স্টেশন, টারগুসুন হাইড্রোপাওয়ার স্টেশন ও শ্যামকেন্ট রিফাইনারির আধুনিকীকরণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে ও চালু হয়েছে। 

চীন-কাজাখস্তান তেল পাইপলাইন ও প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইন স্থিতিশীলভাবে ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে। দু’দেশের কৃষিপণ্য দ্রুত করিডোর দিয়ে স্থানান্তর হয়। কাজাখস্তানের অধিকতর বৈশিষ্ট্যময় কৃষিপণ্য চীনে রপ্তানি করা হয়। চীন-ইউরোপ রেলপথ দু’দেশের উন্নয়নে শক্তিশালী চালিকাশক্তি যুগিয়েছে। জনাব সি বিশ্বাস করেন, ভবিষ্যতে দু’দেশের সহযোগিতা ফলপ্রসূ হবে। এ সফরে প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী মৈত্রী প্রচার করা, বহুমুখী সহযোগিতা জোরদার করা এবং দু’দেশের সম্পর্ক নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করতে চান সি চিন পিং।

কাজাখস্তানে শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষসম্মেলনে অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে প্রবন্ধে জনাব সি বলেন, বিভিন্ন পক্ষ যৌথভাবে আস্তানা শীর্ষসম্মেলন সফল করবে এবং সাংগঠনিক সহযোগিতার জন্য নতুন সম্ভাবনা উন্মুক্ত করবে।সূত্র: ছাই ইউয়ে মুক্তা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।