NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

চীনের কূটনীতি জনগণের জন্য:আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব সম্মেলনে চীনা প্রেসিডেন্ট


আন্তর্জাতিক: প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৪২ এএম

চীনের কূটনীতি জনগণের জন্য:আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব সম্মেলনে চীনা প্রেসিডেন্ট

 

অক্টোবর ১১, (শুক্রবার) চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বেইজিংয়ে গণ-মহাভবনে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব সম্মেলন অর্থাত্ চীনের ‘পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর ফ্রেন্ডশিপ উইথ ফরেন কান্ট্রিজের’ ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেছেন। 

সি চিন পিং প্রথমে বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছবি তোলেন এবং চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ কাজের প্রতি তাদের সমর্থনের প্রশংসা করেন। 

তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের বন্ধুত্ব হল আন্তর্জাতিক সম্পর্ক স্থিতিশীলভাবে উন্নয়নের ভিত্তি এবং বিশ্বের শান্তি ও উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার শক্তি। গণ-প্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছরে, চীনের কমিউনিস্ট পার্টি চীনা জনগণকে নেতৃত্ব দিয়ে নিজের উন্নয়নের সাথে বৈশ্বিক কল্যাণকর আধুনিকায়নের পথ খুঁজে পেয়েছে। 

চীনের অর্জিত বিভিন্ন খাতের সাফল্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জনগণের সমর্থনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। অনেক বিদেশি বন্ধু চীনা জনগণের সঙ্গে কাজ করছেন। অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, ব্যক্তি সক্রিয়ভাবে চীনের সমাজতান্ত্রিক আধুনিকায়নের নির্মাণে অংশ নিয়েছেন। এতে জয়-জয় সাফল্য ছাড়াও চীন ও বিদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময় ও সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। চীনের উন্নয়নে সবার গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং চীনা জনগণের সাথে তাদের আন্তরিক মৈত্রী- চীন সবসময় মনে রাখবে।

সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, চীন বিভিন্ন দেশের বন্ধুদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ  বিনিময় জোরদার করা, বেসরকারি কূটনীতির বিশেষ ভূমিকা পালন করা এবং যৌথভাবে মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়তে চায়। এজন্য তিনি কয়েকটি প্রস্তাব করেছেন। 

এক, মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনে ব্যাপকভাবে একমত হতে হবে। 
দুই, সহযোগিতা ও উভয় কল্যাণের চেতনায় মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনে শক্তিশালী শক্তি যোগাতে হবে। 
তিন, উন্মুক্তকরণ ও সহনশীলতার মনোভাবে মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনের চিত্র রচনা করতে হবে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, সিপিসি জনগণের সেবা করার পার্টি, চীন সরকার জনগণের সরকার, চীনের কূটনীতি জনগণের জন্য। চীন সরকার অব্যাহতভাবে চীন ও বিদেশের বন্ধুত্ব সম্প্রসারণ করবে। 

সূত্র: শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।