NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo
US Presidential Election 2024

শতায়ু প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ভোট দিয়েছেন আগেই, নির্বাচনের দিনও সক্রিয় আর এক প্রাক্তন ওবামাও


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৩৫ এএম

শতায়ু প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ভোট দিয়েছেন আগেই, নির্বাচনের দিনও সক্রিয় আর এক প্রাক্তন ওবামাও

 ভোট চলছে আমেরিকায়। হোয়াইট হাউসের দখল কে নেবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। গোটা বিশ্ব তাকিয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিকে। লড়াইয়ে রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ডেমোক্র্যাটের কমলা হ্যারিস। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর। তবে তাঁদের লড়াইয়ে দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্টরা কে কী করছেন, তা নিয়েও উৎসাহ রয়েছে অনেকের।     

আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্টদের মধ্যে জীবিত আছেন চার জন। তাঁদের মধ্য জিমি কার্টার সম্প্রতিই শতবর্ষে পা দিয়েছেন। আর ঠিক ১৫ দিন পরেই ভোট দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে। সপ্তাহ তিন আগেই ভোটবাক্সে নিজের মত জানিয়েছেন শতায়ু কার্টার। তবে কাকে ভোট দিয়েছেন জানা না গেলেও প্রেসিডেন্ট পদের লড়াইয়ে কমলাকেই সমর্থন করছেন তা স্পষ্ট করেছিলেন তিনি। ভোটযুদ্ধ শুরুর আগে কার্টার নিজের ইচ্ছের কথা জানিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ঘোষণা করেন, কমলাকে হোয়াইট হাউসে দেখতে চান। সে কারণেই বেঁচে আছেন। ১৯৭৭ সালে নির্বাচনে জিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন কার্টার। ১৯৮১ সালে হোয়াইট হাউস ছাড়েন। তবে তার পরও আমেরিকা এবং বিশ্ব রাজনীতির খবরাখবর রাখেন।