NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

প্রেমের টানে পটুয়াখালীতে শ্রীলঙ্কান যুবক


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ এএম

প্রেমের টানে পটুয়াখালীতে শ্রীলঙ্কান যুবক

এম আব্দুর রাজ্জাক,বগুড়া থেকে : প্রেমের টানে শ্রীলঙ্কা থেকে পটুয়াখালীতে এসেছেন এম এক যুবক। তার নাম দিলশান মাদুরাঙ্গা। পাঁচ বছরের প্রেম ছিল তাদের।  বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) রাতে সামাজিক রীতিতে সুবর্ণার সঙ্গে বিয়ে হয় তার। জানা গেছে, দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের মধ্য গছানী গ্রামের নিজাম উদ্দিন সিকদারের মেয়ে সুবর্ণা পাঁচ বছর আগে জর্ডানে যান কাজের সন্ধানে। সেখানে গিয়ে একটি পোশাক কারখানায় কাজ পান তিনি। একই পোশাক কারখানায় কাজের সুবাধে শ্রীলঙ্কার কুরুনাগাল জেলার দুমমলচুরিয়া থানার ন্যাবটাকা উডুবাগদা গ্রামের লাকমালের ছেলে দিলশান মাদুরাঙ্গার সঙ্গে তার পরিচয় হয়।  দিলশান মাদুরাঙ্গা ওই পোশাক কারখানায় সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতেন।

পরিচয়ের পর দীর্ঘ পাঁচ বছর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলে। এক মাস আগে সুবর্ণা গ্রামের বাড়ি চলে আসে। দেশে ফিরলেও দিলশান মাদুরাঙ্গার সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল।  দেশে ফিরে সুবর্ণা বিষয়টি তার পরিবারকে জানান এবং তার পরিবার রাজি হলে তিনি দিলশান মাদুরাঙ্গাকে বাংলাদেশে আসতে বলেন। বৃহস্পতিবার দিলশান মাদুরাঙ্গা পটুয়াখালী পৌঁছান এবং তিনি মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেন। তার বর্তমান নাম দিলশান ইসলাম। বৃহস্পতিবার পটুয়াখালীর একটি আদালতের মাধ্যমে সুবর্ণা ও দিলশান ইসলামের বিয়ে হয়।

একই দিন রাতে সুবর্ণার গ্রামের বাড়িতে সামাজিক রীতি মেনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।  দিলশান ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সম্পর্কের বিষয়টি তার নিজের পরিবার জানত। পরিবারের সম্মতি নিয়েই বাংলাদেশে বিয়ে করতে এসেছেন। বাংলাদেশের মানুষ অনেক ভালো।  সুবর্না আক্তারের বাবা নিজাম উদ্দিন সিকদার বলেন, আমার মেয়ের সুখই আমার সুখ। এখানে আমার কিছুই বলার নেই।  দশমিনা থানার ওসি মো. আবদুল আলীম জানান, কোনো শ্রীলঙ্কার যুবকের দশমিনায় আসার খবর তার জানা নেই।  ইউএনও ইরতিজা হাসান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আইনে কোনো বাধা না থাকলে সমস্যা নেই।