NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

চীন ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রকাশিত:  ০৮ জুন, ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম

চীন ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক

 

 


চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং গত শনিবার বিকেলে বেইজিংয়ের মহাগণভবনে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ানতোর সাথে বৈঠক করেছেন।

সি চিন পিং উল্লেখ করেন যে, প্রেসিডেন্ট সুবিয়ানতো এই বছরের মার্চে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পরপরই চীন সফর করেছেন এবং তারপরে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আবার চীন সফর করছেন। এটি চীন-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক উন্নয়নের প্রেসিডেন্ট সুবিয়ানতো অতন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উচ্চ স্তরের এবং তার কৌশলগত তাৎপর্য রয়েছে। 

সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেছেন যে, উভয়পক্ষের উচিত উচ্চ স্তরের কৌশলগত পারস্পরিক বিশ্বাসকে সুসংহত করা, সরকার, আইন প্রণয়ন সংস্থা এবং স্থানীয় সরকারগুলোর মধ্যে উচ্চ-স্তরের আদান-প্রদান ও সহযোগিতা জোরদার করা, দেশ শাসনের অভিজ্ঞতা বিনিময় জোরদার করা, আধুনিকীকরণের পথ অন্বেষণে একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করা এবং জাতীয় স্বার্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ প্রধান উদ্বেগের সুরক্ষায় একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করা। দু’দেশের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতার বিন্যাস আরও উন্নত করা এবং রাজনীতি, অর্থনীতি, মানবিক, সামুদ্রিক এবং নিরাপত্তায় সহযোগিতার ‘পাঁচটি স্তম্ভ’ তৈরি করা উচিত।

সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেছেন যে, এই বছর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচটি নীতি ঘোষণার ৭০তম বার্ষিকী এবং পরের বছর বান্দুং সম্মেলনের ৭০তম বার্ষিকী চিহ্নিত করে। প্রধান উন্নয়নশীল দেশ, উদীয়মান বাজারের দেশ এবং গ্লোবাল সাউথের প্রধান দুটি সদস্য হিসেবে চীন ও ইন্দোনেশিয়াকে যৌথভাবে শান্তি, সহযোগিতা, সহনশীলতা এবং একীভূতকরণের সাথে এশিয়ান মূল্যবোধের প্রচার করা উচিত, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচটি নীতি এবং বান্দুং মর্ম নতুন যুগের সংজ্ঞা এবং গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর নিজেদেরকে শক্তিশালী করতে এবং বিশ্বব্যাপী শাসনকে আরও ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত দিকে উন্নীত করতে একত্রিত হওয়ার পথে নেতৃত্ব দেওয়া উচিত।


আলোচনার পর, দুই রাষ্ট্রপ্রধান যৌথভাবে যৌথ উন্নয়ন, সমুদ্র অর্থনীতি, জল সংরক্ষণ, খনিজ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বেশ কয়েকটি নথিতে স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেছেন। উভয়পক্ষ ‘চীন ও ইন্দোনেশিয়া সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক এবং চীন-ইন্দোনেশিয়া অভিন্ন কল্যাণের কমিউনিটি গঠনের যৌথ বিবৃতি’ জারি করেছে।

আলোচনার আগে, সি চিন পিং মহাগণভবনে প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ানতোর জন্য একটি স্বাগত অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
সেই রাতে, সি চিন পিং মহাগণভবনের ​​গোল্ডেন হলে প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ানতোর জন্য স্বাগত ভোজসভার আয়োজন করেন। 

সূত্র:স্বর্ণা-হাশিম-লিলি, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।