NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

চীন অন্যান্য সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও সভ্যতা বুঝতে ইচ্ছুক:প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম


আন্তর্জাতিক: প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৪ পিএম

চীন অন্যান্য সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও সভ্যতা বুঝতে ইচ্ছুক:প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম

 

 

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বেইজিংয়ে চায়না মিডিয়া গ্রুপকে একান্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। এ বছর চীন ও মালয়েশিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী। 

সাক্ষাৎকারে আনোয়ার চীনকে মালয়েশিয়ার ‘সত্যিকারের বন্ধু’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন যে, "কৌশলগত অংশীদারিত্ব" এবং "বিস্তৃত" এর মতো শর্তাবলী মালয়েশিয়া ও চীনের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে। তার চেয়েও বেশি, দুই দেশের মধ্যে গভীর পারস্পরিক আস্থা ও বন্ধুত্বও দেখা যায়।

চীন-মালয়েশিয়া সহযোগিতার পরবর্তী ‘সুবর্ণ ৫০ বছরের’ বিষয়ে তিনি বলেন যে, দু’পক্ষের সহযোগিতা জ্বালানি শক্তি, সবুজ প্রযুক্তি এবং উদীয়মান প্রযুক্তি-সহ নতুন ক্ষেত্র এবং নতুন শিল্পে প্রসারিত করা উচিত।
তিনি অন্যান্য দেশের প্রতি চীনের মনোভাবের প্রশংসা করেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, চীন অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক এবং চীন অন্যান্য সংস্কৃতি, অন্যান্য মূল্যবোধ এবং সভ্যতা বুঝতে ইচ্ছুক।

একান্ত সাক্ষাৎকারে আনোয়ার বলেন যে, মালয়েশিয়া ও চীনের মধ্যে আস্থা ও বন্ধুত্বের ভিত্তি রয়েছে, একে অপরের প্রতি নিরঙ্কুশ বোঝাপড়া ও সহযোগিতার ভবিষ্যত রয়েছে। তিনি বলেছেন যে, চীনের উন্মুক্তকরণ এবং অন্তর্নিহিত অবস্থার তুলনায় সংরক্ষণবাদ, একতরফাবাদ ও ক্ষমতার অহংকার সম্পূর্ণ আলাদা। চীন বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে যোগাযোগ করতে ও শিখতে ইচ্ছুক এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যতের কমিউনিটি গড়ে তোলার জন্য বাস্তব পদক্ষেপ নিচ্ছে। এতে মানবসভ্যতার অগ্রগতির প্রতিশ্রুতি এবং মানুষের স্বার্থ ও কল্যাণের অনুভূতি এবং দায়িত্ববোধ প্রতিফলিত হয়।

সূত্র:স্বর্ণা-তৌহিদ-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।