NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

চীন-কম্বোডিয়া বন্ধুত্ব হাজার বছরের পুরনো : প্রেসিডেন্ট সি


আন্তর্জাতিক : প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:২০ এএম

চীন-কম্বোডিয়া বন্ধুত্ব হাজার বছরের পুরনো : প্রেসিডেন্ট সি

 

 


চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং গত (বৃহস্পতিবার) বিকেলে নমপেনের রাজপ্রাসাদে কম্বোডিয়ার রাজা নরোদম সিহামনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সময় সি চিন পিং বলেন, চীন-কম্বোডিয়া বন্ধুত্ব হাজার বছরের পুরনো। দু’দেশের জনগণ বরাবরই একপথে চলেন এবং পরস্পরের আস্থা অর্জন করেন। চীন ও কম্বোডিয়া সবসময় মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যায় এবং কম্বোডিয়ান জনগণের জন্য বাস্তব কল্যাণ ডেকে আনছে।


সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, নতুন পরিস্থিতিতে চীন ও কম্বোডিয়ার উচিত নিজেদের দেশর উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণের জন্য প্রচেষ্টা করে, নিকটবর্তী অভিন্ন কল্যাণের সমাজ নির্মাণ এবং মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ নির্মাণের জন্য আরো বেশি অবদান রাখা। চীন, কম্বোডিয়াকে স্থিতিশীলতা বজায় রেখে, উন্নয়ন দ্রুততর করতে, জীবিকা উন্নীত করতে, নিজের দেশের বাস্তব অবস্থার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ উন্নয়ন পথে চলতে সমর্থন দেয়। 

 


সিহামনি বলেন, দু’পক্ষের অভিন্ন প্রয়াসে, বিভিন্ন ক্ষেত্রের সহযোগিতা দিন দিন ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠে। অভিন্ন কল্যাণের সমাজ নির্মাণ অব্যাহতভাবে গভীরতর হচ্ছে। কম্বোডিয়া একচীন নীতিতে অবিচল রয়েছে, প্রেসিডেন্ট সি’র উত্থাপিত তিনটি বিশ্ব উদ্যোগের উচ্চ প্রশংসা করে এবং ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ সহযোগিতায় দেশটির জন্য ডেকে আনা বিরাট উন্নয়ন সুযোগের জন্য ধন্যবাদ জানান। কম্বোডিয়া চীনের সঙ্গে আসিয়ান-চীন সহযোগিতা, ল্যানকাং-মেকং সহযোগিতাসহ বহুপক্ষীয় ব্যবস্থায় সমন্বয় জোরদার করে, যৌথভাবে আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ইচ্ছুক।
তিনি প্রেসিডেন্ট সি’কে ‘কম্বোডিয়া রাজ্যের জাতীয় স্বাধীনতা পদকের গ্র্যান্ড নেকলেস’ অর্পণ করেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট সি কম্বোডিয়া-চীন সম্পর্ক উন্নয়ন বেগবান করার জন্য উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন এবং তিনি দেশটির মহান বন্ধু। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রেসিডেন্ট সি’র নেতৃত্বে চীন আরো বেশি উন্নয়ন সাফল্য অর্জন করবে এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয়াদীতে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে।

সূত্র : প্রেমা-হাশিম-স্বর্ণা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।