NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত Bangladesh Permanent Mission to the UN observed the ‘International Mother Language Day’ সাখাওয়াত মুখ খুললেন , ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী The Politics of a “Golden Age”: Trump’s Address and America’s Deepening Divide - Akbar Haider Kiron
Logo
logo

লস অ্যাঞ্জেলেস বন্দরে অভ্যন্তরীণ পণ্য ৩৫ শতাংশ হ্রাসের আশঙ্কা : নির্বাহী পরিচালক জিন সেরোকা


আন্তর্জাতিক : প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম

লস অ্যাঞ্জেলেস বন্দরে অভ্যন্তরীণ পণ্য ৩৫ শতাংশ হ্রাসের আশঙ্কা : নির্বাহী পরিচালক জিন সেরোকা

 

যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম এবং ব্যস্ততম কন্টেইনার বন্দর, লস অ্যাঞ্জেলেস বন্দরের নির্বাহী পরিচালক জিন সেরোকা গত ২৯ এপ্রিল বলেছেন, মার্কিন শুল্ক নীতির কারণে কোম্পানিগুলো আমদানি অর্ডার কমানোর সাথে সাথে লস অ্যাঞ্জেলেস বন্দরে আগামী সপ্তাহে সীমান্তে প্রবেশকারী মালামালের পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ শতাংশেরও বেশি হ্রাস পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


কনজিউমার নিউজ অ্যান্ড বিজনেস চ্যানেলের কাছে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেরোকা বলেন যে, চীন থেকে আসা পণ্য লস অ্যাঞ্জেলেস বন্দরের মোট ব্যবসায় প্রায় ৪৫ শতাংশ অংশ দখল করে রয়েছে। শুল্ক নীতির প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রধান খুচরা বিক্রেতা এখন চীনা পণ্যের সমস্ত সরবরাহ বন্ধ রেখেছে।

সেরোকা ধারনা করছেন যে, পণ্য পরিবহনের সংখ্যা কমে যাওয়ার সাথে সাথে মে মাসে লস অ্যাঞ্জেলেস বন্দরে আসা জাহাজের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় এক-চতুর্থাংশ কম হবে। তার মতে যেহেতু মার্কিন খুচরা বিক্রেতারা শুল্ক নীতি চালু হওয়ার আগেই পণ্য মজুদ করে রেখেছিলেন, তাই পণ্য সরবরাহ কমে যাওয়ার নেতিবাচক প্রভাব ৫ থেকে ৭ সপ্তাহের পর দেখা দিতে শুরু করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।


মার্কিন অ্যাক্সিওস নিউজ ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, তিনটি বৃহত্তম মার্কিন খুচরা বিক্রেতা, ওয়ালমার্ট, টার্গেট এবং হোম ডিপোর প্রধানরা সম্প্রতি মার্কিন সরকারকে সতর্ক করে বলেছেন যে, চীনা পণ্যের উপর শুল্ক আরোপের ফলে শিগগিরই মার্কিন পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাবে এবং ‘ফাঁকা তাক’ তৈরি হবে। 

সূত্র:লিলি-হাশিম-তুহিনা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।