NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

কাতারে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ০৮ জুন, ২০২৬, ০৪:৫৮ এএম

কাতারে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ

 কাতারে আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি। ফাইল ছবি  কাতারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস উপসাগরীয় দেশটিতে অবস্থিত আমেরিকান নাগরিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।  কাতারের নাগরিকদের কাছে পাঠানো একটি ই-মেইলে দূতাবাস বলেছে, 'প্রচুর সতর্কতার কারণে আমরা আমেরিকান নাগরিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।' এর বাইরে আর কোনো কিছু বলা হয়নি।   আল জাজিরা জানিয়েছে, উপসাগরীয় দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি অবস্থিত। সেখানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সৈন্য মোতায়েন রয়েছে। এটি মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড বা সেন্টকমের অগ্রবর্তী সদর দপ্তর হিসেবে কাজ করে।

 এর আগে গতকাল রোববার ভোরে যুক্তরাষ্ট্র বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান দিয়ে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় আক্রমণ চালায়।   হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, মার্কিন বিমান বাহিনী ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় 'সফল আক্রমণ' চালিয়েছে।  গত ১৩ জুন রাতে ইসরায়েল ইরানের মাটিতে আগ্রাসন শুরু করে। লক্ষ্যবস্তু হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়। ঘরবাড়িতে সরাসরি আঘাত হানার ফলে বেসামরিক নাগরিকরাও প্রাণ হারান। এরপর তেহরান ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে প্রতিশোধমূলক আক্রমণ চালায়।  পরের দিনগুলোতে ইসরায়েলের আক্রমণের বিরুদ্ধে ইরানও ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। উভয় পক্ষই হতাহতের খবর দিচ্ছে এবং বেশ কয়েকটি স্থাপনার ক্ষতি স্বীকার করেছে