NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

সমালোচনার মুখে টিএসসি থেকে দণ্ডিত জামায়াত নেতাদের ছবি সরালো শিবির


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম

সমালোচনার মুখে টিএসসি থেকে দণ্ডিত জামায়াত নেতাদের ছবি সরালো শিবির

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমালোচনার মুখে পড়ে টিএসসিতে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রদর্শনী থেকে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত জামায়াত নেতাদের ছবি সরিয়ে নিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির।  মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রদর্শনী থেকে ছবিগুলো সরিয়ে নেয় সংগঠনটি।  ঢাবির সহকারী প্রক্টর রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি ছাত্রশিবিরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি তারা শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ছবিগুলো সরিয়ে নিয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে ঢাবির ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে (টিএসসি) ‘বিচারিক হত্যাকাণ্ড’ শিরোনামে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে শিবির। এতে জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লা, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল যুদ্ধাপরাধী মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, শুরা সদস্য মীর কাসেম আলী, নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি স্থান পায়।

এর পরপরই ঢাবি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। দণ্ডিত নেতাদের ছবি সরানোর দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যার দিকে নেতাদের ছবি সরিয়ে নেয় তারা। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজন শেষ হবে আগামী ৭ই আগস্ট। আয়োজনে থাকবে জুলাইয়ের চিত্র প্রদর্শনী, জুলাই বিপ্লব নিয়ে ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী, বিপ্লবের গান ও কবিতা, শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের গল্প, গান, কবিতা, নাট ও মাইম, প্লানচেট বিতর্ক ও আলোচনা সভা। এর অংশ হিসেবে টিএসসির সবুজ চত্বরে তৈরি করা হয়েছে প্রতীকী গণভবন, যার নাম দেয়া হয়েছে ‘ফতেহ গণভবন’। নির্মাণ করা হয়েছে ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেস’। এছাড়া জুলাইয়ের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ছবি ও স্লোগান দিয়ে তৈরি করা হয়েছে প্রদশর্নী। সেখানে দেখানো হয়েছে নারী চরিত্রের বিপ্লবী চেহারা, গণভবন দখলের চিত্র, আবু সাইদসহ শহীদদের ছবি।