NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত Bangladesh Permanent Mission to the UN observed the ‘International Mother Language Day’ সাখাওয়াত মুখ খুললেন , ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী The Politics of a “Golden Age”: Trump’s Address and America’s Deepening Divide - Akbar Haider Kiron
Logo
logo

রাজা সিহামনিকে বেইজিংয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা দিলেন সি চিনপিং


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ০২:৫১ পিএম

রাজা সিহামনিকে বেইজিংয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা দিলেন সি চিনপিং

২৬ আগস্ট মঙ্গলবার সকালে বেইজিংয়ে, চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও তার স্ত্রী ফেং লি ইউয়ান, কম্বোডিয়ার রাজা নরোদম সিহামনি ও রাণীমাতা নরোদম মোনিনাথের সাথে এক আন্তরিক বৈঠকে মিলিত হন। 


সি চিন পিং জাপানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে চীনা জনগণের প্রতিরোধযুদ্ধ ও বিশ্বের ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধে বিজয়ের ৮০তম বার্ষিকীর স্মরণসভায় যোগ দিতে আসা রাজা নরোদম সিহামনিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “গত এপ্রিলে আমি কম্বোডিয়া সফর করি। তখন আমি মহামান্য রাজা ও কম্বোডিয়ান জনগণের উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ অভ্যর্থনা পাই। চীন-কম্বোডিয়া সম্পর্ক আন্তর্জাতিক উত্থান-পতনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে এবং সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেওয়ার এক লৌহকঠিন বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছে। এটি দু’দেশের জনগণের একটি মূল্যবান সম্পদ হয়ে উঠেছে ও উভয় পক্ষেরই এটি লালন করার যোগ্য। বর্তমান জটিল আন্তর্জাতিক অবস্থায় দু’দেশের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব অব্যাহত রাখা, সংহতি ও সহযোগিতা জোরদার করা, নতুন যুগে একটি চীন-কম্বোডিয়া অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ে তোলার কাজ ত্বরান্বিত করা এবং উভয় দেশের জনগণের জন্য আরও সুবিধা বয়ে আনা উচিত। কম্বোডিয়ার জনগণকে জাতীয় অবস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়নের পথ অনুসরণ করতে এবং দেশে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা অর্জনে চীন দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।” 

সিহামনি ও মোনিলেথ বলেন,  বিশ্বশান্তি বজায় রাখার জন্য চীনা জনগণ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, যা চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কম্বোডিয়া সবসময় দু’দেশের সম্পর্ককে কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে। কম্বোডিয়া চীনের সঙ্গে ঐতিহ্যগত মৈত্রী প্রচার এবং চীনের সঙ্গে নতুন যুগের একটি চীন-কম্বোডিয়া অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ে তুলতে ইচ্ছুক। 

সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।