NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে চীন-স্লোভেনিয়া


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১৮ পিএম

সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে চীন-স্লোভেনিয়া

চীনা কমিউনিটি পার্টি (সিপিসি)-র কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর সদস্য ও দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, গত (শনিবার) লুব্লিয়ানায়, স্লোভেনিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।


বৈঠকশেষে এক যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে ওয়াং ই বলেন, বৈঠকে একাধিক বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। চীন স্লোভেনিয়ার সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে একটি। চীনের কূটনৈতিক ঐতিহ্য সর্বদাই একই রকম, আর তা হল: ছোট বা বড় সকল দেশকে সমান গণ্য করা। ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে, পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক দৃশ্যপট নির্বিশেষে, চীন তার পররাষ্ট্রনীতিতে ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছে, ধারাবাহিকভাবে স্লোভেনিয়াকে সমান বিবেচনা করেছে, বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা ও পারস্পরিক সুবিধার নীতি অনুসরণ করেছে, বিভিন্ন আকার ও সামাজিক ব্যবস্থার দেশগুলোর মধ্যে সহাবস্থানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। 


তিনি বলেন, চলতি বছর বিশ্বের ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধে বিজয়ের ৮০ তম বার্ষিকী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে চীন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। অস্থিরতা ও ক্রমাগত সংঘাতের বৈশিষ্ট্যযুক্ত বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে, চীন ও ইউরোপের উচিত পরস্পরের প্রতিপক্ষ হওয়ার পরিবর্তে বন্ধু হওয়া এবং মুখোমুখি হওয়ার পরিবর্তে সহযোগিতা করা। 


তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের ৮০তম বার্ষিকীতে, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ ও ক্রমবর্ধমান শাসন ঘাটতির প্রেক্ষাপটে, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং জাতিসংঘের আহ্বান ও সকল দেশের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সাড়া দিয়ে, ‘বৈশ্বিক প্রশাসন উদ্যোগ’ প্রস্তাব করেছেন। এ নিয়ে, স্লোভেনিয়াসহ ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে কাজ করতে চীন ইচ্ছুক, যা আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির জন্য আরও বেশি স্থিতিশীলতা ও আরও বেশি ইতিবাচক শক্তি যোগাবে। 

সূত্র:ওয়াং হাইমান-আলিম-ছাই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।