NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

খামেনির অবস্থান কোথায়, কেন তাকে ঘিরে বাড়ছে হামলার শঙ্কা


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম

খামেনির অবস্থান কোথায়, কেন তাকে ঘিরে বাড়ছে হামলার শঙ্কা

  ইরানের ওপর আবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর ফলে একদিকে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান আলোচনা নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, অন্যদিকে দেশটির নিরাপত্তা ও নেতৃত্ব কাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রচেষ্টা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।   সনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, শহরের উত্তরের শেমিরান এলাকায় প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের কাছাকাছি এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয়ের আশপাশে সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।

  অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) খামেনির কার্যালয়ের নিকটবর্তী এলাকায় হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।  খামেনি কোথায় ?   খামেনির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে জানা জায়, হামলার সময় তিনি তেহরানে ছিলেন না; তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।  কে এই খামেনি ? আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। তিনি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির উত্তরসূরি।  খোমেনি নির্বাসন থেকে দেশে ফিরে ১৯৭৯ সালের ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত শাসক মোহাম্মদ রেজা পাহলভির শাসনের অবসান ঘটে।