আকবর হায়দার কিরণ প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:২১ পিএম

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক ও সিনিয়র সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনমেলা ঘটে। এর মধ্যে সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী অনেকের সঙ্গে হাত মেলান ও কোলাকুলি করেন। দেশের সরকার প্রধানকে কাছে পেয়ে অনেকে আবেগপ্রবণ হয়ে পরেন। তার সঙ্গে সেলফি তোলেন। তবে আমন্ত্রিত হয়েও অতিরিক্ত চাপে অনেকে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করে যমুনায় প্রবেশ করেন তারেক রহমান।
এরপর সকাল সোয়া ৯টা থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য প্রধান ফটক খুলে দেওয়া হয়। শুধু কার্ডধারীদেরই ভেতরে প্রবেশের সুযোগ দেন এসএসএফ সদস্যরা। পাঁচটি সিরিয়ালে লোকজনের উপস্থিতি প্রধান ফটকের সামনে থেকে সামনের সড়ক ছাড়িয়ে কাকরাইল ও ইন্টার কন্টিনেন্টাল মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। প্রধানমন্ত্রী অনেকের কাছে গিয়ে খোঁজ-খবর নেন। এ সময় সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ বিএনপির সিনিয়র নেতারা। অতিথীদের জন্য ছিল বিশেষ আপ্যায়নের ব্যবস্থা।
সকাল ৯টা থেকে যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরুর কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই সিরিয়ালে দাঁড়ান আমন্ত্রিতরা। তবে সকাল ১০টার মধ্যেই প্রধান ফটক থেকে মানুষের বিস্তৃতি সামনের সড়কে ছড়িয়ে পড়ে। উপচেপড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের। এক পর্যায়ে ফটক বন্ধ করে দেন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও প্রবেশ করতে না পেরে অনেকেই ফিরে যান।