NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

ভিয়েতনামে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপন


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ০৮ জুন, ২০২৬, ০২:১৬ এএম

ভিয়েতনামে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপন

  হ্যানয়, ২৬ মার্চ ২০২৬:   বাংলাদেশের  মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ যথাযথভাবে উদযাপনের অংশ হিসেবে আজ ভিয়েতনামের হ্যানয়স্থ বাংলাদেশ দূতাবাস শহরের স্থানীয় এক হোটেলে একটি কূটনৈতিক অভ্যর্থনার আয়োজন করে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভিয়েতনামের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী গুয়েন মান কুওং (Nguyen Manh Cuong)। এতে হ্যানয়স্থ বিভিন্ন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, ভিয়েতনামের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং হ্যানয়ে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ শতাধিক অতিথি উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।  অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ লুৎফর রহমান।  বক্তব্যের শুরুতে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাকারী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং  লক্ষ লক্ষ বীর শহীদ, সম্ভ্রম হারানো অগনিত  মা-বোন এবং সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন—যারা আমাদের মহান স্বাধীনতার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন।   দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উন্নয়ন, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অর্জনের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত রহমান বলেন, “বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতি। অদূর ভবিষ্যতে দেশটিকে একটি বৈষম্যহীন, দারিদ্র্যমুক্ত, আধুনিক ও সমৃদ্ধশালী  উন্নত দেশের কাতারে তুলে ধরতে মাননীয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আর বাংলাদেশের এই মহৎ অগ্রযাত্রায় আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।” বাংলাদেশ আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচনের জন্য  পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে মনোনয়ন দিয়েছে—এ কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত রহমান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। তিনি বাংলাদেশের সাথে গভীর সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য ভিয়েতনামের বন্ধুপ্রতিম জনগণ এবং সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আগামী বছরগুলিতে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যে বন্ধুত্বের বন্ধন আরো জোরদার করার জন্য একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।  প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিয়েতনামের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী গুয়েন মান কুওং (Nguyen Manh Cuong) স্বাধীনতার বিগত ৫৫ বছরে অর্জিত অসাধারণ সাফল্যের জন্য বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, "বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উনয়ন বিশ্বের অনেক দেশের কাছে আজ অনুকরণীয়। বিশ্ববাজারে পোশাক শিল্পে নেতৃত্ব প্রদান, বিশ্বের অন্যতম ঔষধ রপ্তানিকারক এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সর্বাধিক শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আজ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক  গুরুত্বপূর্ণ  রাষ্ট্রশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বাংলাদেশের এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরো সমৃদ্ধ হবে"।  তিনি আরও বলেন "আমার দৃঢ় বিশ্বাস, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান  বাণিজ্যের পরিমাণ  দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাবে এবং শীঘ্রই তা  দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে"।  প্রধান অতিথির বক্তব্যের পর দিবসটি উপলক্ষে কেক কাটা হয় এবং অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবারের সমন্বয়ে নৈশভোজ পরিবেশন করা হয়। উল্লেখ্য, সংবর্ধনার সাথে বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রপ্তানিযোগ্য পণ্যসমূহ প্রদর্শন করে একটি প্রদর্শনীও অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি উপস্থিত অতিথিদের ভূয়সী প্রশংসা কুড়াতে সক্ষম হয়।