NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢোল-বাদ্যে শুরু বৈশাখী শোভাযাত্রা


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ০৮ জুন, ২০২৬, ০২:১৭ এএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢোল-বাদ্যে শুরু বৈশাখী শোভাযাত্রা

 বৈশাখী শোভাযাত্রা উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নেমেছে উৎসবের ঢল। ঢোল-বাদ্যের তালে আর রঙিন মোটিফের বর্ণিল আয়োজনে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয় বহুল প্রতীক্ষিত শোভাযাত্রা।  শোভাযাত্রার সূচনা হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। সকাল ৮টা থেকেই চারুকলা প্রাঙ্গণে জড়ো হতে থাকেন উৎসবপ্রেমীরা। বর্ণিল পোশাক আর বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে সৃষ্টি হয় প্রাণবন্ত পরিবেশ।  এবারের শোভাযাত্রায় অংশ নেয় প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী, যারা বহন করছেন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। পাশাপাশি ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পীর পরিবেশনা উৎসবে যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা।  লোকঐতিহ্য ও স্বকীয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে এবারের আয়োজন।

বাঁশ, কাঠ ও রঙিন কাগজে তৈরি বিশাল বাঘ, হাতি, ময়ূর এবং মা-শিশুর প্রতিকৃতি শোভাযাত্রাকে করে তুলেছে দৃষ্টিনন্দন। এবারের মূল বার্তা অশুভ শক্তির বিনাশ এবং কল্যাণময় আগামীর প্রত্যাশা।  বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে পাঁচটি প্রধান মোটিফ, মোরগ, দোতারা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। প্রতিটি প্রতীকই তুলে ধরছে শক্তি, সৃজনশীলতা, শান্তি, গৌরব ও গতিময়তার ভাবনা। শিক্ষার্থীদের হাতে তৈরি এসব মোটিফে ফুটে উঠেছে বাংলার লোকসংস্কৃতির নান্দনিক রূপ।  নিরাপত্তার দিকেও ছিল কঠোর নজরদারি। অংশগ্রহণকারীদের পরিচয়পত্র বহন বাধ্যতামূলক করা হয়। ক্যাম্পাসে মুখোশ পরে প্রবেশ, ব্যাগ বহন, ইংরেজি প্ল্যাকার্ড, বেলুন, ফেস্টুন ও আতশবাজি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো ও বিক্রি নিরুৎসাহিত করা হয়।  ক্যাম্পাসজুড়ে স্থাপন করা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা ও আর্চওয়ে।

দোয়েল চত্বর ও কার্জন হলসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নেওয়া হয় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পাশাপাশি ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সামনে বসানো হয়েছে হেল্প ডেস্ক, কন্ট্রোল রুম ও অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প।  নববর্ষ উপলক্ষে চারুকলা অনুষদে রয়েছে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন। চৈত্র সংক্রান্তির দিন বকুলতলায় লোকসংগীত ও নৃত্যানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজন চলবে আরও কয়েকদিন। ১৫ ও ১৬ এপ্রিল মঞ্চস্থ হওয়ার কথা রয়েছে ‘বাগদত্তা’ ও ‘দেবী সুলতানা’ শীর্ষক যাত্রাপালা।  বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে এমন আয়োজন বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবেই আবারও প্রমাণ করলো ঢাবির বৈশাখী শোভাযাত্রা।