NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ৩, ২০২৬ | ২০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক
Logo
logo

গ্লোবাল সাউথের সংহতি জোরদারে চীনের শুল্কমুক্ত উদ্যোগ প্রশংসিত


আন্তর্জাতিক: প্রকাশিত:  ০৩ মে, ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম

গ্লোবাল সাউথের সংহতি জোরদারে চীনের শুল্কমুক্ত উদ্যোগ প্রশংসিত

১ মে থেকে চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী আফ্রিকার ৫৩টি দেশের জন্য পূর্ণাঙ্গ শূন্য-শুল্ক নীতি কার্যকর হবে। শুল্কমুক্তির এই পদক্ষেপ চীন-আফ্রিকা বাণিজ্যে আরও প্রবৃদ্ধি তৈরি করবে এবং আফ্রিকার অর্থনীতিতে আরও স্থিতিশীলতা ও নিশ্চয়তা আনবে। সিজিটিএন-এর উদ্যোগে বিশ্বব্যাপী নেটিজেনদের ওপর পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, ৮৭.৩ শতাংশ উত্তরদাতা চীনের পারস্পরিক উপকারী বাণিজ্য নীতি সম্পর্কে ইতিবাচক মত পোষণ করেছেন। তাঁদের মতে, বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থায় চ্যালেঞ্জের এই সময়ে চীনের পদক্ষেপটি আফ্রিকার উন্নয়নমূলক বাধা ও বৈষম্যমূলক আচরণ লাঘবে সহায়ক হবে এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।

২০২৫ সালে চীন-আফ্রিকা বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৭.৭ শতাংশ বেশি। এটি একটি নতুন রেকর্ড এবং টানা ১৬ বছর ধরে চীন আফ্রিকার শীর্ষ বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে অবস্থান করছে। এই প্রেক্ষাপটে, ৮৭.৪ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, শূন্য-শুল্ক নীতি আফ্রিকার পণ্যসামগ্রীকে চীনের বিশাল বাজারের সঙ্গে আরও দ্রুত সংযুক্ত করবে এবং তাদের উন্নয়নের জন্য প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

প্রকৃতপক্ষে, এই শূন্য-শুল্ক নীতি শুধু চীন-আফ্রিকা বাণিজ্যের পরিমাণই বাড়ায়নি; বরং বাণিজ্যিক পণ্যের ধরন ও শিল্পকাঠামোতেও উন্নয়ন এনেছে। জরিপে ৮৭.৮ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, এই নীতি আফ্রিকার তুলনামূলক সুবিধাসম্পন্ন পণ্যগুলোকে চীনা বাজারে প্রবেশে সহায়তা করবে এবং তাদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াবে। ৮৪.৫ শতাংশ উত্তরদাতার মতে, এটি আফ্রিকার পণ্যের সংযোজিত মূল্য বৃদ্ধি করে সংশ্লিষ্ট শিল্পের আধুনিকায়ন ও কাঠামোগত উন্নয়ন ঘটাবে। ৮৩.৮ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, এই পদক্ষেপ আফ্রিকার কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ, কোল্ড চেইন ও পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশ খুব একটা অনুকূল ছিল না। একক শুল্কারোপ ও বাণিজ্য সুরক্ষাবাদ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আরও বড় অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর বিপরীতে, ২০২৪ সালে সবচেয়ে কম উন্নত ৩৩টি দেশকে আওতাভুক্ত করা থেকে শুরু করে বর্তমানে চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকা ৫৩টি আফ্রিকান দেশকে সম্পূর্ণ সুবিধা দেওয়া পর্যন্ত—চীন তার বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে চীন-আফ্রিকা অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতায় স্থিতিশীলতা ও নিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এই প্রসঙ্গে ৮৬.২ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, আফ্রিকার প্রতি চীনের শূন্য-শুল্ক নীতি আফ্রিকা মহাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক উপকারী সহযোগিতা ও যৌথ আধুনিকায়নের প্রতি চীনের দৃঢ় অবস্থান এবং একটি বৃহৎ রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধের প্রতিফলন ঘটায়। ৭৮ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, এই পদক্ষেপ ‘গ্লোবাল সাউথ’ বা বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর সংহতি ও সহযোগিতা জোরদার করবে। ৭৮.৩ শতাংশ উত্তরদাতা বিশ্বের সবচেয়ে কম উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে সম্মিলিত উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি দায়িত্বশীল বৃহৎ রাষ্ট্র হিসেবে চীনের এই ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

এই জরিপটি সিজিটিএন-এর ইংরেজি, স্প্যানিশ, ফরাসি, আরবি ও রুশ ভাষার প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয়েছিল। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মোট ৭ হাজার ৬৬৫জন নেটিজেন এতে অংশ নিয়ে নিজেদের মতামত ব্যক্ত করেন। 

সূত্র:জিনিয়া-তৌহিদ-তুহিনা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।