NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

চীন-লাওস রেলপথ চালুর প্রথম বার্ষিকী


রুবি,বেইজিং: প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০২ পিএম

চীন-লাওস রেলপথ চালুর প্রথম বার্ষিকী

 

গত বছরের ৩ ডিসেম্বর চীন ও লাওসের প্রেসিডেন্টের যৌথ উপস্থিতিতে ৫ বছর ধরে নির্মাণাধীন চীন-লাওস রেলপথ চালু হয়। গত এক বছরে এ রেলপথে ৮০ লাখ যাত্রী চলাচল করেছে। মালামাল পরিবহনের পরিমাণ ১০০ লাখ টন ছাড়িয়েছে, যা দু’দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি দু’দেশের জনগণকে উপকৃত করেছে।

২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও লাওসের প্রেসিডেন্ট থংলৌন সিসৌলিথ ভিডিও লিংকের মাধ্যমে চীন-লাওস রেলপথ চালুর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

চীনের ইয়ুন নান প্রদেশের খুন মিং থেকে লাওসের রাজধানী ভিয়েনতিয়েনগামী একটি বিদ্যুৎ-চালিত রেলপথ এটি। এর দৈর্ঘ্য ১০৩৫ কিলোমিটার। এটি চীনের মানদণ্ড অনুসারে চীন ও লাওসের যৌথ সহযোগিতায় নির্মিত হয়েছে। এটি চালুর পর খুন মিং থেকে ভিয়েনতিয়েন যেতে মাত্র ১০ ঘণ্টা সময় লাগে।

যৌথভাবে চীন-লাওস রেলপথ নির্মাণ করা হলো দু’দেশের শীর্ষনেতাদের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এ রেলপথের মূল্যায়ন করে বলেন, এটি দু’দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও কল্যাণের দৃষ্টান্তমূলক প্রকল্প। তাতে দু’দেশের সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যময় সুবিধা প্রতিফলিত হয়েছে।

এ রেলপথ চালুর প্রথম দিনে লাওসের প্রধানমন্ত্রী ফানখাম ভিফাভান ভিয়েনতিয়েন স্টেশনে সর্বপ্রথম ব্যক্তি হিসেবে ট্রেনে উঠেন। তিনি বলেন, এ রেলপথ লাওস ও চীনের পার্টি, দেশ এবং জনগণের যৌথ প্রচেষ্টার সাফল্য। এটি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং’র ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ প্রস্তাব বাস্তবায়িত করেছে, যা লাওসকে স্থলবেষ্টিত দেশ থেকে স্থল-সংযুক্ত দেশে পরিণত করেছে। এটি লাওসের সামাজিক উন্নয়ন বেগবান করার পাশাপাশি আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে চীনের এবং এতদঞ্চলের দেশসমূহের সঙ্গে লাওসের সেতুতে পরিণত হয়েছে।

চীন-লাওস রেলপথ চালু হওয়ার  পর দু’দেশ রেলপথ বরাবর অঞ্চলের উন্নয়নে বহু মাত্রিক সহযোগিতা চালিয়েছে। দু’দেশ আরও উচ্চ মানের আর্থ-বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উৎপাদনের সক্ষমতাসহ নানা ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করেছে। তাতে রেলপথ বরাবর অঞ্চলের সার্বিক সমৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। সূত্র: রুবি,সিএমজি।