NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরে ২০ লাখ চীনা পর্যটককে আপ্যায়নের আশা জানিয়েছেন


রুবি,বেইজিং: প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৭ এএম

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরে ২০ লাখ চীনা পর্যটককে আপ্যায়নের আশা জানিয়েছেন

 

সম্প্রতি বেশ কিছু দেশ চীনা পর্যটকদের স্বাগত জানাতে নানা ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ প্রসঙ্গে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েন বিন ১১ জানুয়ারি বেইজিংয়ে নিয়মিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, চীন নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণকে বি-শ্রেণীতে অবদমন করেছেন এবং দেশি-বিদেশিদের যাতায়াত সহজ করেছে। 

এরপর অনেক দেশ চীনা পর্যটকদের স্বাগত জানিয়েছে এবং চীনা যাত্রীদের ওপর প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ না-করার কথা জানিয়েছে। থাই উপ-প্রধানমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিমানবন্দরে চীনা যাত্রীদের সংবর্ধনা জানিয়েছেন এবং প্রকোপ প্রতিরোধের প্যাকেজ ও পুষ্পমাল্য দিয়েছে। 

মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও টুইটারে এক বিবৃতিতে চীনা পর্যটকদের আশা করেছে। কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরে ২০ লাখ চীনা পর্যটককে আপ্যায়নের আশা জানিয়েছেন। ইন্দোনেশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশ চীনা ভাষা জানা মানুষদের চীনা পর্যটকদের অভ্যর্থনা জানানোর দায়িত্ব দিয়েছেন। 

ওয়াং ওয়েন বিন বলেন, যেখানে চীনা পর্যটকরা উষ্ণতা ও আনন্দ পেয়েছেন সেখানে তারা ভ্রমণ করছেন। চীন সেসব দেশে ভ্রমণে যাওয়া চীনাদের সুবিধা দেবে এবং তাদেরকে নিজেদের স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধানে নির্দেশনা দেবে। 

চীন করোনা প্রকোপের পরিস্থিতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থা সুবিন্যস্ত করবে। বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে দেশি-বিদেশিদের যাতায়াত সুনিশ্চিত করবে; যাতে করোনা প্রতিরোধ করে আন্তর্জাতিক সংহতি ও বিশ্ব অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে অবদান রাখা যায়। সূত্র: রুবি,সিএমজি।