NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ চলে গেলেন কিন্তু রেখে গেলেন এক বিশাল স্মৃতিময় জীবন


Abdur Razzak প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম

রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ চলে গেলেন কিন্তু রেখে গেলেন এক বিশাল স্মৃতিময় জীবন
 

এম আব্দুর রাজ্জাক উত্তরবঙ্গ থেকে :


রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ বাংলাদেশে মোট এসেছিলেন দুবার। প্রথমবার ১৯৬১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকায় আর দ্বিতীয় বার স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৮৩ সালের নভেম্বর মাসে।
প্রথমবারের সফরে কেবল ঢাকা আর চট্টগ্রাম ভ্রমণ করেছিলেন রানী। ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬১ সালে রয়েল এয়ার ফোর্সের বিমানে করে ঢাকায় নামেন রানী। তখন রানীর জন্য বর্তমানের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন সুগন্ধা সাজানো হয়েছিলো রাজকীয় ভাবে। ১৩ই ফেব্রুয়ারি রানী স্টিমারে করে বুড়িগঙ্গা নদীতে প্রমোদ ভ্রমণ করেন। এরপর তিনি পরিদর্শনে যান আদমজী জুট মিলে। সেই সফরে চট্টগ্রাম ও ভ্রমণ করেছিলেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। পাকিস্তানের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান রানীর বিদায়ের সময় উপস্থিত ছিলেন।
রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ সর্বশেষ বাংলাদেশ সফরে আসেন ১৯৮৩ সালের নভেম্বর মাসে তৎকালীন সামরিক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের আমন্ত্রণে। চার দিনের সেই সফরে ছিলো ব্রিটেনের রানীর স্বাধীন বাংলাদেশে একমাত্র সফর।
চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে রানী জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছিলেন।
.
পাশাপাশি একটি স্বনির্ভর গ্রাম দেখতে ঢাকা থেকে বিশেষ ট্রেনে রানী গাজীপুরের শ্রীপুর স্টেশনে যান। এ সময় তার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট এরশাদও সফরসঙ্গী ছিলেন। স্টেশন থেকে গাড়িতে চেপে শ্রীপুর উপজেলার বৈরাগীরচালা গ্রামে যান রানী।
রাণীর সফর উপলক্ষে গ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন করা হয়েছিল। কাঁচা রাস্তাগুলো রাতারাতি পাকা করা হয়। আর গ্রামে প্রথমবার বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়, যা ওই গ্রামে কলকারখানা গড়ে উঠতে ব্যাপকভাবে সাহায্য করে।
গ্রামের একটি কাঁঠাল বাগানে স্থানীয় নারীদের সঙ্গে গল্প করেন রানি। এ সময় এক নারী রানিকে রূপার চাবি উপহার দিয়েছিলেন। ওই চাবিটি প্রতীকি অর্থে দেওয়া হয়। এর অর্থ হচ্ছে যেকোনো সময় রানি বৈরাগীরচালা গ্রামে আসতে পারবেন। তার জন্য গ্রামের সব দরজা সর্বদা খোলা।
ওই গ্রামে রানির যাওয়ার মূল কারণ ছিল তিনি একটি স্বনির্ভর গ্রাম পরিদর্শন করতে চেয়েছিলেন। রানিকে পুকুরে মাছ ধরা, মুড়ি বানানোসহ বিভিন্ন গ্রামীণ শিল্প দেখানো হয়েছিলো।