NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত Bangladesh Permanent Mission to the UN observed the ‘International Mother Language Day’ সাখাওয়াত মুখ খুললেন , ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী The Politics of a “Golden Age”: Trump’s Address and America’s Deepening Divide - Akbar Haider Kiron
Logo
logo

রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ চলে গেলেন কিন্তু রেখে গেলেন এক বিশাল স্মৃতিময় জীবন


Abdur Razzak প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ০২:৩৫ পিএম

রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ চলে গেলেন কিন্তু রেখে গেলেন এক বিশাল স্মৃতিময় জীবন
 

এম আব্দুর রাজ্জাক উত্তরবঙ্গ থেকে :


রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ বাংলাদেশে মোট এসেছিলেন দুবার। প্রথমবার ১৯৬১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকায় আর দ্বিতীয় বার স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৮৩ সালের নভেম্বর মাসে।
প্রথমবারের সফরে কেবল ঢাকা আর চট্টগ্রাম ভ্রমণ করেছিলেন রানী। ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬১ সালে রয়েল এয়ার ফোর্সের বিমানে করে ঢাকায় নামেন রানী। তখন রানীর জন্য বর্তমানের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন সুগন্ধা সাজানো হয়েছিলো রাজকীয় ভাবে। ১৩ই ফেব্রুয়ারি রানী স্টিমারে করে বুড়িগঙ্গা নদীতে প্রমোদ ভ্রমণ করেন। এরপর তিনি পরিদর্শনে যান আদমজী জুট মিলে। সেই সফরে চট্টগ্রাম ও ভ্রমণ করেছিলেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। পাকিস্তানের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান রানীর বিদায়ের সময় উপস্থিত ছিলেন।
রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ সর্বশেষ বাংলাদেশ সফরে আসেন ১৯৮৩ সালের নভেম্বর মাসে তৎকালীন সামরিক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের আমন্ত্রণে। চার দিনের সেই সফরে ছিলো ব্রিটেনের রানীর স্বাধীন বাংলাদেশে একমাত্র সফর।
চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে রানী জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছিলেন।
.
পাশাপাশি একটি স্বনির্ভর গ্রাম দেখতে ঢাকা থেকে বিশেষ ট্রেনে রানী গাজীপুরের শ্রীপুর স্টেশনে যান। এ সময় তার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট এরশাদও সফরসঙ্গী ছিলেন। স্টেশন থেকে গাড়িতে চেপে শ্রীপুর উপজেলার বৈরাগীরচালা গ্রামে যান রানী।
রাণীর সফর উপলক্ষে গ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন করা হয়েছিল। কাঁচা রাস্তাগুলো রাতারাতি পাকা করা হয়। আর গ্রামে প্রথমবার বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়, যা ওই গ্রামে কলকারখানা গড়ে উঠতে ব্যাপকভাবে সাহায্য করে।
গ্রামের একটি কাঁঠাল বাগানে স্থানীয় নারীদের সঙ্গে গল্প করেন রানি। এ সময় এক নারী রানিকে রূপার চাবি উপহার দিয়েছিলেন। ওই চাবিটি প্রতীকি অর্থে দেওয়া হয়। এর অর্থ হচ্ছে যেকোনো সময় রানি বৈরাগীরচালা গ্রামে আসতে পারবেন। তার জন্য গ্রামের সব দরজা সর্বদা খোলা।
ওই গ্রামে রানির যাওয়ার মূল কারণ ছিল তিনি একটি স্বনির্ভর গ্রাম পরিদর্শন করতে চেয়েছিলেন। রানিকে পুকুরে মাছ ধরা, মুড়ি বানানোসহ বিভিন্ন গ্রামীণ শিল্প দেখানো হয়েছিলো।